হাসপাতালে ৮ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই, এখন উন্নতি: এনসিপি নেত্রী মাহমুদা মিতু
৮ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই, এখন উন্নতি: মাহমুদা মিতু

হাসপাতালে ৮ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই, এখন উন্নতি: এনসিপি নেত্রী মাহমুদা মিতু

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা মিতু হাসপাতালে টানা ৮ দিন চিকিৎসাধীন থেকে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করেছেন। বুধবার (৪ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি এই তথ্য জানিয়েছেন এবং বলেছেন, তার শারীরিক অবস্থা এখন আগের চেয়ে ভালো।

মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে আয়ু বেড়েছে

মাহমুদা মিতু তার পোস্টে উল্লেখ করেন, "মৃত্যুর মুখে দাঁড়ালে আয়ু বেড়ে যায়। আলহামদুলিল্লাহ, শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে ভালো।" তিনি বলেন, মঙ্গলবার ড্রেইন টিউব ক্যানোলা খোলার পর নিজেকে মুক্ত মনে হচ্ছিল। তবে নানা জটিলতায় শরীরের ওপর ধকল গিয়েছে। তার হাতে ক্যানোলার জায়গা না থাকায় শেষে বাচ্চাদের ক্যানোলা দিয়ে হাত প্রায় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল।

এলাকার উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি

এনসিপি নেত্রী তার পোস্টে এলাকার উন্নয়ন কাজের অগ্রগতির কথাও জানান। তিনি বলেন, কাঠালিয়া রাজাপুর উপজেলার মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির ও আশ্রমের বিশেষ বরাদ্দের জন্য নভেম্বরে আবেদন করেছিলেন, যা ডিসেম্বরে পাশ হলেও নির্বাচনের জন্য দেওয়া হয়নি। এখন তা দেওয়া শুরু হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, কিছুদিন পর কাঠালিয়ার রাস্তাঘাটের জন্য ১১৩ কোটি টাকার বরাদ্দের কাজও শুরু হবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি বলেন, "প্রতি মসজিদ-মন্দির ২ লাখ করে পাবে, তবে যত নাম দিয়েছিলাম সবগুলো আসেনি। যারা বরাদ্দ পাননি, মন খারাপ না করার অনুরোধ রইল। আমি যতদিন আছি, আপনাদের জন্য চেষ্টা করবো।"

দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান

মাহমুদা মিতু তার এলাকার জনগণের প্রতি এক পয়সাও হক নষ্ট হতে দেবেন না বলে জানান। তিনি বলেন, "ক্ষমতার লোভ কোনো কালেই ছিল না। কিন্তু আপনাদের ভালোবাসার লোভ, আপনাদের জন্য কাজ করার লোভ আমার আছে। কারণ, আমি জানি এই কাজই মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। যারা দুর্নীতি করে আপনাদের হক নষ্ট করবে, তারা টিকবে না।"

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঝালকাঠি-১ আসনের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি

এনসিপি নেত্রী দলমত নির্বিশেষে তার অবহেলিত এলাকার ভাগ্য পরিবর্তনের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, গত ৫০ বছরে কোনো এমপি বা মন্ত্রী ঝালকাঠি-১ আসনের ভাগ্য পরিবর্তন করেননি। এলাকায় ঘুরে দেখেছেন, এখনো এই অঞ্চল কতটা অনুন্নত। এখনো রাস্তাঘাট দিয়ে অ্যাম্বুলেন্স যাওয়ার অবস্থা নেই।

তিনি জনগণের কাছে দাবি জানান, ১১৩ কোটি টাকার কাজ যেন ঠিকভাবে হয় এবং এক পয়সাও দুর্নীতি না হয়। সবকিছুর জন্য তিনি দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদকে ধন্যবাদ জানান।