এমপি ফখরুল ইসলামের উদ্যোগে ১০ হাজার রোগীর টোকেন খরচ পরিশোধের ঘোষণা
এমপি ফখরুল ইসলাম ১০ হাজার রোগীর টোকেন খরচ দিচ্ছেন

এমপি ফখরুল ইসলামের উদ্যোগে কোম্পানীগঞ্জে ১০ হাজার রোগীর টোকেন খরচ পরিশোধ

নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট ও সদর আংশিক) আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মো. ফখরুল ইসলাম রমজান ও ঈদ উপলক্ষে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য আসা ১০ হাজার রোগীর টোকেন খরচ নিজ তহবিল থেকে পরিশোধের ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) তিনি প্রথমবারের মতো ৫০ শয্যার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন এবং এ ঘোষণা দেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য দোয়া ও সহযোগিতা চাওয়া

এমপি ফখরুল ইসলাম বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া চাই এবং তাদের জ্যেষ্ঠ সন্তান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার নতুন সরকারের জন্য সহযোগিতা চাই। তিনি উল্লেখ করেন যে, এ মাসে রোগীরা বিনামূল্যে চিকিৎসা নেবেন, যা সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার তাদের সরকারের প্রতিশ্রুতির অংশ।

হাসপাতালের সমস্যা সমাধান ও চিকিৎসকদের দায়িত্ব

নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য প্রতিটি ওয়ার্ডে গিয়ে চিকিৎসাধীন রোগীদের খোঁজখবর নেন এবং হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, রোগীদের নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি বলেন, এখানে যত সমস্যা রয়েছে তা অচিরেই সমাধানের চেষ্টা করা হবে, তবে চিকিৎসকদের সঠিক সময়ে অফিসে উপস্থিত হয়ে রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।

টোকেন খরচের বিস্তারিত তথ্য

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ সেলিমের মতে, বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে ৪০০ রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়, যাদের প্রত্যেককে ৫ টাকা দিয়ে টোকেন নিতে হয়। এমপি ফখরুল ইসলাম ১০ হাজার রোগীর টোকেনের জন্য ৫০ হাজার টাকা নিজ তহবিল থেকে পরিশোধের ঘোষণা দিয়েছেন, যা স্থানীয় স্বাস্থ্য সেবায় উল্লেখযোগ্য সহায়তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণকারীগণ

পরিদর্শনের আগে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ সেলিমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন:

  • উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল আলম শিকদার
  • বসুরহাট পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল মতিন লিটন
  • মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. শওকত আল-ইমরান ইমরোজ
  • সিনিয়র স্টাফ নার্স কহিনুর বেগম প্রমুখ

এই উদ্যোগটি স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এবং স্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়নে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে স্বীকৃত হচ্ছে।