গ্রীষ্মে চোখ জ্বালার কারণ ও প্রতিকার জানুন
গ্রীষ্মে চোখ জ্বালার কারণ ও প্রতিকার

গ্রীষ্মে চোখ জ্বালার কারণ ও প্রতিকার

গ্রীষ্মকালে তীব্র রোদ, ধুলাবালি, দূষণ ও শুষ্ক গরম হাওয়ার কারণে চোখের নানা সমস্যা দেখা দেয়। যেমন— চোখে জ্বালা, চুলকানি, শুষ্কতা, লালভাব, অতিরিক্ত জল পড়া বা অস্বস্তি। গরমে শরীরের মতো চোখের আর্দ্রতার ভারসাম্যও নষ্ট হতে পারে।

চোখ জ্বালার প্রধান কারণ

ড্রাই আইজ: তাপমাত্রা বাড়লে চোখের প্রাকৃতিক পানি দ্রুত বাষ্পীভূত হয়, ফলে চোখের পৃষ্ঠে আর্দ্রতা কমে যায় এবং জ্বালা বা অস্বস্তি হয়। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে দীর্ঘ সময় থাকলেও এই সমস্যা বেড়ে যায়।

অ্যালার্জি ও দূষণ: শহরাঞ্চলে গ্রীষ্মে ধুলো, দূষণ ও অ্যালার্জির মাত্রা বেড়ে যায়, যা চোখে জ্বালা, চুলকানি ও লাল ভাবের কারণ হতে পারে। বিশেষ করে সংবেদনশীল চোখে সমস্যা বেশি হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম: গরমে বাইরে কম বের হওয়ার ফলে অনেকেই দীর্ঘ সময় মোবাইল, ট্যাব বা ল্যাপটপ ব্যবহার করেন। স্ক্রিনের দিকে একটানা তাকিয়ে থাকলে চোখের পলক ফেলার হার কমে যায়, ফলে চোখ শুকিয়ে যায় এবং ক্লান্তি, জ্বালা ও অস্বস্তি বাড়ে।

সুইমিংপুলের ক্লোরিন: গরমে সাঁতার কাটতে গিয়ে গগলস ছাড়া ক্লোরিনযুক্ত পুলে চোখে জ্বালা ও লালভাব দেখা দিতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে সংক্রমণের ঝুঁকিও থাকে।

চোখের যত্নের উপায়

পর্যাপ্ত পানি পান: শরীর হাইড্রেটেড রাখলে চোখের আর্দ্রতা বজায় থাকে। দীর্ঘদিন ড্রাই আইজ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শে লুব্রিকেটিং আই ড্রপ বা আর্টিফিশিয়াল টিয়ার ব্যবহার করতে পারেন।

স্ক্রিন টাইম কমানো: মাঝে মাঝে চোখের বিশ্রাম নিন, ২০-২০-২০ নিয়ম অনুসরণ করুন: প্রতি ২০ মিনিটে ২০ ফুট দূরে ২০ সেকেন্ড তাকান।

সুইমিং গগলস ব্যবহার: পুলে সাঁতার কাটার সময় অবশ্যই গগলস পরুন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন

সাময়িক জ্বালা নিজে থেকেই সেরে যায়। তবে দীর্ঘদিন চোখ লাল থাকলে, ব্যথা, ফোলা, ঝাপসা দৃষ্টি বা আলোতে অস্বস্তি হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এগুলো চোখের সংক্রমণ বা অন্য কোনো সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।