পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে কর্মব্যস্ত নগরী ঢাকার চিরচেনা কোলাহল যেন হঠাৎ থমকে গেছে। যানজট, মানুষের ভিড় আর ব্যস্ততায় মুখর থাকা রাজধানী এখন নীরব ও ফাঁকা। প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপনে নগরবাসীর বড় একটি অংশ গ্রামে ছুটে যাওয়ায় জনশূন্য হয়ে পড়েছে সড়ক ও জনসমাগমস্থলগুলো। এই ফাঁকা সড়কে বেপরোয়া চলাচল করছে মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা।
বেপরোয়া চলাচল করতে গিয়ে গতকাল বুধবার রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকাল পর্যন্ত বিভিন্নভাবে আহত হয়ে ১২০ জন জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর) বা পঙ্গু হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। মারাও গেছেন একজন। আহতদের মধ্যে গুরুতর থাকায় প্রায় ৮০ জনকে ভর্তি করা হয়েছে।
নিটোরের তথ্য
নিটোরের অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাক্তার জীবনানন্দ হালদার এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, “গতকাল রাত ১২টা থেকে আজ বিকাল ৪টা পর্যন্ত আমাদের এখানে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে ১২০ জন রোগী এসেছে।”
এই চিকিৎসক আরও বলেন, “আহতদের মধ্যে অধিকাংশই মোটরসাইকেল আরোহী। এছাড়া অটোরিকশার চালক ও আরোহীও দুর্ঘটনায় আহত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এসব রোগীদের বেশিরভাগই রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে এসেছেন। এছাড়া সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়া একজন রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসার পর মারা যায়।”
দুর্ঘটনার কারণ
ফাঁকা সড়কে গতিসীমা না মানা এবং বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানোকে দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা। ঈদ ছুটিতে নগরীর ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণও কমে গেছে, যা পরিস্থিতি আরও খারাপ করছে।



