২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে নেওয়ার পরিকল্পনা: শিক্ষামন্ত্রী
২০২৭ এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে, ইন-হাউস কোচিং বাধ্যতামূলক

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানিয়েছেন, ২০২৭ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা জানুয়ারি মাসে আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রীয় সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণ

শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জানুয়ারিতে নেওয়ার সিদ্ধান্তের বিষয়ে ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মতামত নেওয়া হয়েছে। রমজান মাসের কারণে সময়সূচি পেছানোর সুযোগ থাকলেও সংশ্লিষ্ট সবার মতামতের ভিত্তিতে ঈদের আগেই পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা জুন মাসের মধ্যেই পাঠ্যক্রম সম্পন্ন করব। এরপর প্রি-টেস্ট ও টেস্ট পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সবকিছু বিবেচনা করেই জানুয়ারিতে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

ইন-হাউস কোচিং বাধ্যতামূলক

শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইন-হাউস কোচিং কার্যক্রম বাধ্যতামূলক করার কথাও জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল নিশ্চিত করতে স্কুলভিত্তিক অতিরিক্ত শিক্ষাসহায়তা প্রয়োজন। স্থানীয় গভর্নিং কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে শিক্ষকদের সম্মানীর ব্যবস্থা করতে হবে।”

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ফলাফলের ধারাবাহিক অবনতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

ফলাফলের ধারাবাহিক অবনতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “২০২১, ২০২২ ও ২০২৩ সালের ফলাফল বিশ্লেষণে আমরা কিছুটা নিম্নমুখী প্রবণতা দেখেছি। এ অবস্থার পরিবর্তন করে শিক্ষার মান ও ফলাফল আরও উন্নত করতে হবে।” তিনি আরও জানান, ২০২৮ সাল থেকে দেশের শিক্ষা কারিকুলামে নতুন পরিবর্তন আনা হবে এবং এ বিষয়ে ইতোমধ্যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সভায় আলোচিত বিষয়

সভায় বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরীক্ষা ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মানোন্নয়নে দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইন-হাউস কোচিং কার্যক্রম চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।