বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি

শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তি এবং অবস্থানের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। এই নির্দেশনায় ভর্তি ফি, টিউশন ফি এবং অন্যান্য ফি নির্ধারণে স্বচ্ছতা আনার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্দেশনার মূল দিক

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়কে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা ভর্তি ফি ও টিউশন ফি নির্ধারণ করতে হবে। এই ফি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের তুলনায় বেশি হতে পারে, তবে তা যৌক্তিক হতে হবে। এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে তাদের ওয়েবসাইটে ফি-এর বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে হবে।

ভর্তির শর্তাবলী

বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তির জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে। স্নাতক পর্যায়ে ভর্তির জন্য উচ্চমাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে স্নাতকে ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ থাকতে হবে। এছাড়া, ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা প্রমাণের জন্য আইইএলটিএস বা টোফেল স্কোর জমা দিতে হবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আবাসন ও স্বাস্থ্য বীমা

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। আবাসনের খরচ শিক্ষার্থীদের বহন করতে হবে। এছাড়া, শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্য বীমা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বীমার খরচও শিক্ষার্থীদের দিতে হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “এই নির্দেশনার মাধ্যমে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি স্বচ্ছ ও ন্যায়সঙ্গত পরিবেশ তৈরি হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এই নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।”

প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া

বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার বিদেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। নতুন নির্দেশনার ফলে তাদের ভর্তি প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে, কিছু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে করেন, ফি নির্ধারণে স্বাধীনতা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, “এই নির্দেশনা বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ইতিবাচক। তবে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিজস্ব নীতি অনুযায়ী ফি নির্ধারণের সুযোগ থাকা উচিত।”