ঢাবি অধ্যাপক তাশরিকের একাডেমিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি: আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ
ঢাবি অধ্যাপক তাশরিকের একাডেমিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

অভিযোগের প্রকৃতি কী?

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দাবি, গান গাওয়া নয়, বরং আর্থিক অনিয়ম, একাডেমিক নীতিমালা লঙ্ঘন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী জানান, আর্থিক অনিয়ম ও সাম্প্রতিক কিছু কর্মকাণ্ডের ভিত্তিতে সিন্ডিকেট সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

গবেষকদের কাছ থেকে অর্থ দাবির অভিযোগ

বাংলা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ মে বিভাগের একাডেমিক কমিটি তাশরিককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়। তিনি লিখিত ব্যাখ্যা দিলেও তা সন্তোষজনক হয়নি। বিভাগের অধ্যাপক তারিক মনজুরের ভাষ্য অনুযায়ী, এমফিল ও পিএইচডি গবেষকদের কাছ থেকে বিধিবহির্ভূতভাবে অর্থ দাবি ও গ্রহণের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বই না কিনলে মূল্যায়নে বঞ্চনার অভিযোগ

শিক্ষার্থীদের মধ্যে অভিযোগ ছিল, তাশরিকের রচিত বই বা সম্পাদিত সাময়িকী না কিনলে তারা মূল্যায়নে বঞ্চিত হতেন। এসব অভিযোগ পর্যালোচনা করে বিভাগের একাডেমিক কমিটি প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে।

সামাজিক মাধ্যমে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অভিযোগ

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলা বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে এমন কর্মকাণ্ডের অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে। তবে তাশরিকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি; তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গানের কারণে নয়, প্রশাসনের স্পষ্টীকরণ

উল্লেখ্য, সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে গান গেয়ে আলোচিত হন তাশরিক। শাহ আবদুল করিম, জেমস ও ফজলুর রহমান বাবুর গান নিজস্ব ঢঙে গেয়ে তিনি ফেসবুকে প্রশংসা ও ট্রল উভয়ই কুড়িয়েছেন। তবে প্রশাসন স্পষ্ট করেছে, তার সংগীতচর্চা অব্যাহতির কারণ নয়।