ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান ইউনিটে ৪৬টি শূন্য আসন, ভর্তির জন্য আবেদন আহ্বান
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে বিজ্ঞান ইউনিটের তিনটি বিভাগে মোট ৪৬টি আসন শূন্য রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং যোগ্যতা অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এসব শূন্য আসনে ভর্তির জন্য আবেদন আহ্বান করেছে। আগ্রহী প্রার্থীদের ৩০ মার্চের মধ্যে আবেদন করতে হবে বলে জানানো হয়েছে।
কোন বিভাগে কতটি শূন্য আসন?
ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বিজ্ঞান ইউনিটভুক্ত তিনটি বিভাগে আসন শূন্য রয়েছে। এগুলো হলো:
- কম্পিউটারবিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে ১৭টি আসন
- নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ১৬টি আসন
- রোবোটিকস অ্যান্ড মেকাট্রনিকস বিভাগে ১৩টি আসন
এই বিভাগগুলো ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের অধীনে পরিচালিত হয়।
কে আবেদন করতে পারবেন?
যেসব শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন এবং তাদের বিষয় পছন্দক্রমে এই বিভাগগুলো রয়েছে, কিন্তু সাক্ষাৎকারে উপস্থিত হতে পারেননি বা মূল গ্রেডশিট জমা দিতে পারেননি, তাঁরা এই শূন্য আসনে আবেদনের সুযোগ পাবেন। জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন এবং বিজ্ঞান ইউনিটের বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ভর্তির যোগ্যতা কী?
প্রতিটি বিভাগে ভর্তি হতে চাইলে প্রার্থীদের ভর্তি পরীক্ষায় পদার্থবিজ্ঞান ও গণিতে নির্দিষ্ট নম্বর পেতে হবে। নম্বরের বিস্তারিত হলো:
- কম্পিউটারবিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে ভর্তির জন্য পদার্থবিজ্ঞানে ১৫ এবং গণিতে ১৫ নম্বর পেতে হবে।
- নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভর্তির জন্য পদার্থবিজ্ঞানে ১৩ এবং গণিতে ১৩ নম্বর পেতে হবে।
- রোবোটিকস অ্যান্ড মেকাট্রনিকস বিভাগে ভর্তির জন্য পদার্থবিজ্ঞানে ১৩ এবং গণিতে ১৪ নম্বর পেতে হবে।
আবেদন প্রক্রিয়া ও সময়সীমা
আগ্রহী শিক্ষার্থীদের ৩০ মার্চের মধ্যে অফিস চলাকালে বিজ্ঞান ইউনিটে (জীববিজ্ঞান অনুষদ অফিস, কার্জন হল এলাকা) লিখিত আবেদন জমা দিতে হবে। লিখিত আবেদনের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মেধাক্রম অনুযায়ী বিষয় বরাদ্দ ৩১ মার্চ প্রকাশ করা হবে। বিষয় বরাদ্দপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ৫ এপ্রিলের মধ্যে মূল গ্রেডশিট জমা দিতে হবে।
এই উদ্যোগটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চশিক্ষা খাতে ভর্তি প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, বিশেষ করে যারা প্রযুক্তি ও প্রকৌশল ক্ষেত্রে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী।



