স্মার্ট ক্লাসরুম প্রকল্প: ১৫০ বিদ্যালয়ে তথ্য সংগ্রহের নির্দেশনা জারি
স্মার্ট ক্লাসরুম প্রকল্পে ১৫০ বিদ্যালয়ে তথ্য সংগ্রহ

স্মার্ট ক্লাসরুম প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু

দেশের নির্বাচিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ‘স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপন’ প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে সরকার। বাংলাদেশ ও চীন সরকারের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের ফিজিবিলিটি স্টাডি বা সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে নির্বাচিত ১৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাছে তথ্য চেয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

মাউশির নির্দেশনায় তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া

মাউশির এক নির্দেশনায় জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের এ তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে। নির্দেশনাটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে ইতোমধ্যে পাঠানো হয়েছে। অফিস আদেশের এই নির্দেশনায় বলা হয়, ‘বাংলাদেশের নির্বাচিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহে স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় নির্বাচিত ১৫০টি বিদ্যালয়ে মোট ৩০০টি স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপন করা হবে।

চীনা কারিগরি দলের সরবরাহ করা প্রশ্নমালার আলোকে বিদ্যালয়ের বর্তমান অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা যাচাই করতে গুগল ফর্ম সক্রিয় করা হয়েছে। মাউশি জানায়, যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনো তথ্য দেয়নি, তাদের ৫ মার্চের মধ্যে নির্ধারিত লিংকের মাধ্যমে তথ্য পাঠাতে হবে। তবে যেসব প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে তথ্য জমা দিয়েছে, তাদের পুনরায় তথ্য দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের ভূমিকা ও সমন্বয়

সংশ্লিষ্ট জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের তাদের আওতাধীন নির্বাচিত বিদ্যালয়গুলোর প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে সমন্বয় করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্ভুল তথ্য প্রদান নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে মাউশি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের মাধ্যমিক শিক্ষা খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপন প্রকল্পটি বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় ডিজিটাল রূপান্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। চীনের কারিগরি সহায়তায় এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীরা আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আরও কার্যকরভাবে শিক্ষা গ্রহণ করতে সক্ষম হবে।