প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, সরকার শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। সবচেয়ে বেশি গুরুত্বরোপ করা হচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কোয়ালিটি বাড়ানোর জন্য, তাদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর জন্য। তার মাধ্যমে শিক্ষকদের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষা রূপান্তর: টেকসই উৎকর্ষতার রোডম্যাপ’ শীর্ষক জাতীয় কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। কর্মশালাটি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মাহদী আমিন বলেন, ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাপ স্কিল রয়েছে। যেখানে একটি ট্যাবলেট কম্পিউটারের মাধ্যমে শিক্ষকদের ট্রেনিং আরও বাড়বে। ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড মানের ওনি ট্রেনিং দিতে পারবেন। কারিকুলাম হয়ে যাবে ডিজিটাল। তার মাধ্যমে শুধু শিক্ষকদের মর্যাদা বাড়বে না, অর্থনৈতিকভাবে তারা আরও ক্ষমতায়িত হবেন।
উদ্বোধনী পর্বের পর পাঁচটি টেকনিক্যাল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। সেসব অধিবেশনে গ্র্যাজুয়েটদের কর্মসংযোগযোগ্যতা, সফট স্কিল উন্নয়ন ও চাহিদাভিত্তিক শিক্ষা, শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা, ডিজিটাল রূপান্তর, ডিজিটাল সাক্ষরতা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংযোজন, শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়ন, গবেষণায় উৎকর্ষ ও আন্তর্জাতিকীকরণ, গভর্নান্স, মান নিশ্চিতকরণ এবং প্রতিষ্ঠানিক সংস্কার নিয়ে আলোচনা করা হবে ও সুপারিশ প্রণীত হবে।
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা আরও বলেন, শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে শিক্ষাক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। সরকার এ বিষয়ে ইতিমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।



