শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষাই হবে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের সেতুবন্ধন। শুক্রবার (৮ মে) ঢাকার একটি হোটেলে সেন্টার ফর চায়না স্টাডিজ (সিসিএস) আয়োজিত ‘চায়না–বাংলাদেশ রাউন্ড টেবিল অন গভর্ন্যান্স এক্সপেরিয়েন্স এক্সচেঞ্জ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষা সেতুবন্ধনের মূল উপাদান
মন্ত্রী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে সেতুবন্ধন আরও সুদৃঢ় করে গড়ে তোলা। সেই সেতুবন্ধনের মূল উপকরণ কংক্রিট, সিমেন্ট, বা রড নয়। বরং মূল উপাদান হবে শিক্ষা।” তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের সুসম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এ সম্পর্ক বিনির্মানে জোর দিয়েছিলেন। আগামীর প্রত্যাশিত বাংলাদেশ বিনির্মাণে এ সম্পর্ক বিশেষ ভূমিকা রাখবে, বিশেষ করে শিক্ষার উন্নয়নে চীন আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তর
বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “আমরা যদি এই জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরিত করতে পারি তাহলে দেশ আরও উন্নত হবে। এজন্য আমাদের টেকনিক্যাল এন্ড ভোকেশনাল এডুকেশন (টিভিইটি) সেক্টরের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। দেশের বর্তমান প্রজন্মকে দক্ষ ও বৈশ্বিক মানের মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে চীনের সঙ্গে যৌথভাবে শিক্ষা ও কারিগরি খাতে সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি করতে হবে।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, সিসিএস একাডেমিক বোর্ডের চেয়ারম্যান চেন ডংশিয়াও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্রাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস) মহাপরিচালক আ স ম রিদওয়ানুর রহমান।



