বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি নতুন শিক্ষানীতি-২০২৩ চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। এই নীতির আওতায় প্রাথমিক থেকে শুরু করে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত পুরো শিক্ষাব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কার আনা হবে। শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, নতুন নীতিতে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, ডিজিটাল শিক্ষার প্রসার এবং দক্ষতা উন্নয়নে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
নতুন শিক্ষানীতির মূল বৈশিষ্ট্য
নতুন শিক্ষানীতিতে প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। এছাড়া কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসার ঘটাতে নতুন কারিকুলাম প্রণয়ন করা হবে।
ডিজিটাল শিক্ষার প্রসার
নীতিতে ডিজিটাল শিক্ষার প্রসারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। দেশের প্রতিটি স্কুলে ইন্টারনেট সংযোগ ও ডিজিটাল ডিভাইস সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে। অনলাইন শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে শিক্ষার্থীদের জন্য সহজলভ্য করে তোলা হবে।
- প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলককরণ
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার সম্প্রসারণ
- কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়ন
- শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি জোরদারকরণ
নতুন শিক্ষানীতি বাস্তবায়নে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী আশা প্রকাশ করেছেন যে এই নীতি শিক্ষাক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।



