বাংলাদেশ সরকার নতুন শিক্ষানীতি প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে। শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, এই নীতি প্রণয়নে শিক্ষাবিদ, বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের মতামত নেওয়া হবে।
নতুন শিক্ষানীতির লক্ষ্য
নতুন শিক্ষানীতির লক্ষ্য হলো শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা। বিশেষ করে ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে এই নীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতামত
শিক্ষাবিদ ড. রফিকুল ইসলাম বলেছেন, 'নতুন শিক্ষানীতি প্রণয়নের মাধ্যমে আমরা শিক্ষাখাতে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন দেখতে পাব।' তিনি আরও বলেন, 'এই নীতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারবে।'
শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে খসড়া নীতি প্রস্তুত করা হবে। এরপর তা জনগণের মতামতের জন্য প্রকাশ করা হবে।
শিক্ষানীতি প্রণয়নে সময়সীমা
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মধ্যে নতুন শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন শুরু হবে। ইতোমধ্যে এই লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নতুন শিক্ষানীতিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত (STEM) শিক্ষার ওপর। পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসারেও জোর দেওয়া হবে।



