চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে দেশগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ঈদ পরবর্তী মিলন মেলা
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার দেশগাঁও জয়নাল আবেদীন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আয়োজনে ঈদ পরবর্তী পুনর্মিলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দিনব্যাপী এ মিলন মেলা আয়োজন করে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ঐক্য পরিষদ। বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানের বর্ণনা ও অংশগ্রহণকারী
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহ মিরান, দেশগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ও চাঁদপুর মহিলা কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল প্রফেসর মো. ইকবালুর রহমান, চাঁদপুর সরকারি কলেজের অধ্যাপক আলমগীর হোসেন বাহার, ১০নং গন্থর্ব্যপুর দক্ষিণ ইউনিয়ন ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশনের সভাপতি মো. রেজওয়ানুল হাসান টিটু, মহাসচিব মো. আমিরুল ইসলাম মীর হোসেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন বাচ্চু, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন বেলাল, বেলচোঁ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক খোরশেদ আলমসহ অন্যান্য প্রাক্তন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
প্রাক্তন শিক্ষার্থী ঐক্য পরিষদের সভাপতি আহম্মদ খান ও গোলাম রসুলের যৌথ সঞ্চালনায় এ মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে হাজীগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি খালেকুজ্জামান শামীম ও সাধারণ সম্পাদক এনায়েত মজুমদারসহ স্থানীয় বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।
দিনব্যাপী কর্মসূচির বিবরণ
দেশগাঁও জয়নাল আবেদীন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আয়োজনে সকালে রেজিস্ট্রেশন ও উপহার সামগ্রী বিতরণের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর জাতীয় পতাকা ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও অতিথিরা। উদ্বোধনী পর্বের পর একটি র্যালি বের করা হয়, যা স্থানীয় এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে।
বিকালে স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা, ক্রেস্ট বিতরণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা তাদের বিদ্যালয় জীবনের স্মৃতি ভাগাভাগি করেন এবং বর্তমান প্রজন্মের সাথে মতবিনিময় করেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীরা গান, নাচ ও কবিতা পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলেন।
এ মিলন মেলা শুধুমাত্র প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করেনি, বরং স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে শিক্ষা ও সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরেছে। অনুষ্ঠানটি হাজীগঞ্জ উপজেলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।



