নতুন শিক্ষাক্রমে মূল্যায়ন পদ্ধতি পরিবর্তনের সুপারিশ
নতুন শিক্ষাক্রমে মূল্যায়ন পদ্ধতি পরিবর্তনের সুপারিশ

নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নে মূল্যায়ন পদ্ধতি পরিবর্তনের সুপারিশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টেকনিক্যাল কমিটি। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে ধারাবাহিক মূল্যায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত মূল্যায়ন পদ্ধতি

টেকনিক্যাল কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, প্রাথমিক স্তরে (তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি) শিখনকালীন মূল্যায়নের পাশাপাশি বার্ষিক সমাপনী মূল্যায়ন থাকবে। মাধ্যমিক স্তরে (ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি) ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি যাচাই করা হবে। দশম শ্রেণিতে পাবলিক পরীক্ষা (এসএসসি) বহাল থাকবে, তবে এতে সৃজনশীল ও ব্যবহারিক অংশের গুরুত্ব বাড়ানো হবে।

পরীক্ষার ধরন ও ওয়েটেজ

প্রাথমিক স্তরে বার্ষিক সমাপনী মূল্যায়নের ওয়েটেজ ৩০% এবং শিখনকালীন মূল্যায়নের ওয়েটেজ ৭০% নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক স্তরে ধারাবাহিক মূল্যায়নের ওয়েটেজ ৪০% এবং বার্ষিক পরীক্ষার ওয়েটেজ ৬০% রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। দশম শ্রেণির এসএসসি পরীক্ষায় সৃজনশীল অংশের ওয়েটেজ ৬০% এবং ব্যবহারিক অংশের ওয়েটেজ ৪০% নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জ

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) জনাব মো. আব্দুল কুদ্দুস জানান, 'নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি বাস্তবায়নে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও অবকাঠামোগত প্রস্তুতি প্রয়োজন। আমরা পর্যায়ক্রমে এটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছি।' তিনি আরও বলেন, 'শিক্ষার্থীদের শিখনফল উন্নত করতে এই পরিবর্তন জরুরি।'

তবে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে নতুন পদ্ধতি নিয়ে কিছু উদ্বেগ রয়েছে। ধারাবাহিক মূল্যায়নের জন্য অতিরিক্ত সময় ও শ্রমের প্রয়োজন হবে বলে তারা মনে করেন। এছাড়া গ্রামীণ এলাকায় প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণের অভাব বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পরবর্তী পদক্ষেপ

টেকনিক্যাল কমিটির সুপারিশ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহে মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় নীতিমালা ও নির্দেশিকা প্রণয়ন করা হবে।