নতুন শিক্ষানীতি ঘোষণা
বাংলাদেশ সরকার আজ নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২৫ ঘোষণা করেছে। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, এই নীতি বাস্তবায়নে আগামী পাঁচ বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।
উচ্চশিক্ষায় জোর
নতুন নীতিতে উচ্চশিক্ষায় বিনিয়োগের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। দেশের ৪৫টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণে প্রতিটি জেলায় একটি করে ডিজিটাল ল্যাব স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “আমরা চাই শিক্ষার্থীরা ২১শ শতাব্দীর দক্ষতা অর্জন করুক। তাই প্রযুক্তি শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।” ২০২৬ সালের মধ্যে সব স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ
নতুন নীতির অধীনে ২০ হাজার নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি বিদ্যমান শিক্ষকদের জন্য অনলাইন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু হবে। শিক্ষকদের বেতন কাঠামোও পুনর্বিবেচনা করা হবে।
বিশেষজ্ঞদের প্রতিক্রিয়া
শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেন, “নতুন নীতি উচ্চশিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়ানোর কথা বলেছে, যা ইতিবাচক। তবে এর সফল বাস্তবায়ন নির্ভর করবে সরকারের আন্তরিকতার ওপর।”
সমালোচনা ও চ্যালেঞ্জ
বিরোধী দল বলছে, এই নীতি বাস্তবায়নে পর্যাপ্ত তহবিল নেই। শিক্ষা আন্দোলনের নেতারা মনে করেন, প্রাথমিক শিক্ষার প্রতি অবহেলা করা হয়েছে। তবে সরকার বলছে, সব স্তরের শিক্ষার জন্যই সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।



