স্কুল পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে সাতটি খেলা: ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা থেকে সাঁতার
স্কুল পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে ফুটবল, ক্রিকেট, দাবাসহ সাত খেলা

স্কুল পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে সাতটি খেলা: ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা থেকে সাঁতার

সরকারি নির্দেশে স্কুল পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে সাতটি খেলা। চতুর্থ শ্রেণি থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা, কারাতে বা ভলিবল, ব্যাডমিন্টন, অ্যাথলেটিক্স ও সাঁতার অন্তর্ভুক্ত হবে পাঠ্যবইয়ে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে বুধবার জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যানের কাছে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কমিটির সভার সিদ্ধান্ত

চিঠিতে বলা হয়েছে, শহর ও গ্রামীণ এলাকায় খেলার মাঠ চিহ্নিতকরণ ও বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় গঠিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয় ১৪ মার্চ। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় চতুর্থ শ্রেণি থেকে শুরু করে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত জাতীয় শিক্ষাক্রমে সাতটি খেলা অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

যেসব খেলা যুক্ত হচ্ছে পাঠ্যক্রমে

সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, পাঠ্যক্রমে নিম্নলিখিত খেলাগুলোর পাঠ ও ব্যবহারিক অংশ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • ফুটবল
  • ক্রিকেট
  • দাবা
  • কারাতে বা ভলিবল (যেকোনো একটি)
  • ব্যাডমিন্টন
  • অ্যাথলেটিক্স
  • সাঁতার

এসব খেলার তাত্ত্বিক জ্ঞান ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ শিক্ষার্থীদের পাঠ্যক্রমের অংশ হবে, যা প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত বিস্তৃত।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এনসিটিবিকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত সাতটি খেলা পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডকে (এনসিটিবি) প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। এনসিটিবিকে সংশ্লিষ্ট পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষাক্রমে খেলাগুলোর উপযুক্ত স্থান নিশ্চিত করতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা সহজেই এসব খেলা সম্পর্কে শিখতে ও অনুশীলন করতে পারে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরকার শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্বকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চাইছে। এটি স্কুল পর্যায়ে ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে তুলতে এবং ভবিষ্যতের ক্রীড়াবিদ তৈরিতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।