শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা: স্কুল ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি চূড়ান্তভাবে বাতিল
স্কুল ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি চূড়ান্তভাবে বাতিল

স্কুল ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি চূড়ান্তভাবে বাতিল

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা দিয়েছেন যে, স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি চূড়ান্তভাবে বাতিল করা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সাল থেকে স্কুলে ভর্তির বিদ্যমান লটারি প্রথা আর থাকবে না।

লটারি পদ্ধতির ইতিহাস ও বিবর্তন

উল্লেখ্য, প্রথমে শুধু প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারির পদ্ধতি চালু করা হয়েছিল। ২০১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোয়, যেসব বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণি রয়েছে, সেখানে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি বাধ্যতামূলক করা হয়। পরের বছর বেসরকারি বিদ্যালয়েও একই পদ্ধতি চালু করা হয়। তবে তখনো দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমেই হতো।

পরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে সব শ্রেণিতেই লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এর পর থেকে এখন পর্যন্ত একই পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম চলছিল। শিক্ষামন্ত্রীর এই ঘোষণার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই পদ্ধতির সমাপ্তি ঘটানো হচ্ছে।

ভবিষ্যতের ভর্তি প্রক্রিয়া

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন তার বক্তব্যে জোর দিয়েছেন যে, নতুন ভর্তি পদ্ধতি আরও স্বচ্ছ ও ন্যায়সঙ্গত হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই পরিবর্তন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে। স্কুল পর্যায়ে ভর্তি প্রক্রিয়ায় এই সংস্কার শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ভর্তি কার্যক্রমে আরও দক্ষতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে চাইছে। আগামী দিনগুলোতে নতুন ভর্তি পদ্ধতি কী হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।