শিক্ষামন্ত্রী মিলনের বক্তব্য: কচুয়ার জন্য রাতে কিশোর জিজ্ঞাসাবাদ, সারাদেশের নয়
শিক্ষামন্ত্রী: রাতে কিশোর জিজ্ঞাসাবাদ শুধু কচুয়ার জন্য

শিক্ষামন্ত্রীর স্পষ্টীকরণ: রাতে কিশোর জিজ্ঞাসাবাদ নির্দেশনা শুধু কচুয়ার জন্য

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন স্পষ্ট করেছেন যে, রাতে কিশোরদের অযাচিতভাবে ঘোরাফেরা দেখলে জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দেশনাটি তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে নিজের নির্বাচনী এলাকা চাঁদপুরের কচুয়ার জন্য দিয়েছেন, সারাদেশের জন্য নয়।

বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন

অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা এবং মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণি ও পঞ্চম শ্রেণির (ইবতেদায়ি) ও কারিগরির বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে আজ বুধবার সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।

সন্ধ্যার পর রাস্তায় ঘোরাফেরা করলে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে করা প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, 'বিষয়টি আমি ন্যূনতম এক হাজারবার বলেছি, আমার নির্বাচনী এলাকায় যখন প্রচার করতাম, তখন আমার কমিটমেন্ট আমি কচুয়ার জন্য বারবার বলতাম যে যদি আমি নির্বাচিত হই, তাহলে আমার এখানে ১২ তারিখ (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা এক মিনিট থেকে মাদক বন্ধ হতে হবে, ইভ টিজিং বন্ধ হতে হবে, সন্ত্রাস বন্ধ হতে হবে। সারা রাত রাস্তাঘাটে ঘোরাফেরা করা—এটা বন্ধ হতে হবে। এটা আমি এক হাজারবার বলেছি, বলে আসছি, আমার বলা চলছে। এটা আমার কচুয়াকেন্দ্রিক।'

মন্ত্রী হওয়ার পর কচুয়ায় প্রশাসনকে নির্দেশ

এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, 'আমি মন্ত্রী হওয়ার পর কচুয়া উপজেলায় প্রশাসনকে ডেকে বলেছি, ওসি সাহেব, এটা সাংবিধানিকভাবে ঠিক না। তবে কচুয়ার অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়ে কেউ যদি রাস্তায় ঘোরাফেরা করে, তাহলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন এবং অভিভাবকদের বলবেন। এটি হচ্ছে আমার নির্বাচনী এলাকায় আমার কমিটমেন্ট। সারা বাংলাদেশে কী হবে, সে ঘোষণা তো আমি শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে দিইনি।'

শিক্ষামন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে এটি সংসদ সদস্য হিসেবে তাঁর নির্বাচনী এলাকার জন্য দেওয়া অঙ্গীকার, কচুয়ার জন্য। এ বিষয়ে তিনি কোনো জাতীয় অঙ্গীকার বা ঢাকায় সংবাদ সম্মেলনে তেমন কিছু বলেননি।

এই বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী তার স্থানীয় প্রতিশ্রুতির উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন, যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জাতীয় নীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়।