শিক্ষামন্ত্রী মিলনের অঙ্গীকার: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি হবে না, ডিজিটাল শিক্ষার দিকে অগ্রসর
শিক্ষামন্ত্রী মিলন: দুর্নীতি হবে না, ডিজিটাল শিক্ষার অগ্রগতি

শিক্ষামন্ত্রীর অঙ্গীকার: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতি হবে না

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেছেন যে, তার দায়িত্বে থাকা অবস্থায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কোনও দুর্নীতি হবে না। দায়িত্ব পাওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) প্রথম কর্মদিবসে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি এই কথা বলেন। এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ উপস্থিত ছিলেন।

অতীতের অভিজ্ঞতা ও বর্তমানের প্রতিশ্রুতি

এহসানুল হক মিলন বলেন, ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত আমি শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলাম, তখন কোনও দুর্নীতি হয়নি। আমরা আবার এসেছি। অন্যরা কী করেছে তার জবাবদিহি আমি করবো না। কিন্তু আমরা দুর্নীতি করিনি, তার প্রমাণ রয়েছে। আমরা এসেছি, আর দুর্নীতি হবে না। আপনি ধরে নিতে পারেন। অ্যান্ড দ্যাটস ফাইনাল।

গত দেড় বছরে বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষার বিভিন্ন খাতে দলীয়করণ করা হয়েছে, এ বিষয়ে পদক্ষেপ থাকবে কিনা জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা পুরোনো জায়গায় ফিরে যেতে চাই না। আমরা সামনের দিকে অগ্রসর হতে চাই। আমরা পেছনে যেতে চাই না। আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাবো, সামনের দিনের কথা বলবো।

দুর্নীতি ও জবাবদিহির বিষয়ে অবস্থান

গত ১৭ বছরে বিভিন্ন সেক্টরে দুর্নীতি হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ নিবেন কিনা প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি এবং আমাদের প্রতিমন্ত্রী দু’জনেই আপনাদের কাঠগড়ায় দাঁড়াবো কিছুদিন পরে, তখন উত্তর দেবো।

বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন ও শিক্ষার মান উন্নয়ন

বেসরকারি শিক্ষকরা মাত্র সাড়ে ১২ হাজার টাকা দিয়ে চাকরি শুরু করেন। ৯৫ শতাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বেসরকারি- তাদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর বিষয়ে কী উদ্যোগ নেবেন- জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সেটা আপনারাও জানেন, আমিও জানি। লেটস ওয়েট অ্যান্ড সি হোয়াট উই কুড ডু।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের বার্তা হলো আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা যুযোগযোগী করতে হবে। আমাদের প্রতিযোগিতা করতে অন্যান্য দেশের সঙ্গে। গ্লোবাল ভিলেজে ব্যাকডেটেড কোনও শিক্ষা থাকবে না।

কারিকুলাম পরিবর্তন ও ডিজিটাল শিক্ষার গুরুত্ব

কারিকুলাম পরিবর্তন করা হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, নতুন কারিকুলাম পরিবর্তন নয়, রিভিউ হবে।

শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমারা ফোর্থ জেনারেশনের শিল্পায়নের যুগে। সেখানে ন্যানো টেকনোলজি, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, রোবোটিকস- এসবগুলোর ব্যবহার আমাদের করতে হবে। অতএব আমাদের ডিজিটাল প্লাটফর্মে আসতে হবে। ডিজিটাল লিটারেসি লাগবে, ইংলিশ লিটারেসি লাগবে।

শিক্ষাখাতের চ্যালেঞ্জ ও ধন্যবাদ

এই মুহূর্তে শিক্ষাখাতে কোন বিষয়কে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কর্মসংস্থান, দক্ষ মানবশক্তি।

দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান শিক্ষামন্ত্রী।