প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ শিক্ষা ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নের জন্য চারটি মূল স্তম্ভ এবং একটি নতুন উপাদানের কথা উল্লেখ করে সেগুলোতে আমূল পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, কারিকুলামের আধুনিকায়ন, শিক্ষকদের মানোন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো, বিভিন্ন শিক্ষাধারার সমন্বয় এবং প্রযুক্তি (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ভবিষ্যতের চাকরি) সংযোজনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
ক্যামব্রিজের অনুষ্ঠানে বক্তব্য
আজ মঙ্গলবার ঢাকার র্যাডিসন ব্লু হোটেলে কেমব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন আয়োজিত কেমব্রিজ প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেডের লঞ্চ ইভেন্ট ২০২৬ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
দীর্ঘমেয়াদি ভিশন
প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র চার মাসের মধ্যেই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য একটি সুস্পষ্ট ও দীর্ঘমেয়াদি ভিশন নির্ধারণ করেছে। এই ভিশনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বিশ্বমানের নাগরিক তৈরি, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং শিক্ষাকে কর্মমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তোলা।
২৭টির বেশি শিক্ষাধারা
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে দেশে ২৭টিরও বেশি ধরনের শিক্ষাধারা বিদ্যমান। এসব ধারার শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অভিন্ন ন্যূনতম মানদণ্ড নিশ্চিত করতে হবে, যাতে মাদ্রাসা, বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম কিংবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মৌলিক জ্ঞান ও দক্ষতায় সমমানের সুযোগ পায়।
শিক্ষকের গুরুত্ব
শিক্ষকদের গুরুত্ব তুলে ধরে ববি হাজ্জাজ বলেন, চাকা ছাড়া যেমন গাড়ি চলতে পারে না, তেমনি শিক্ষক ছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থা চলতে পারে না। তিনি জানান, দেশের বিপুল সংখ্যক শিক্ষকের জন্য বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে কেমব্রিজের শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে।
এ সময় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, ব্রিটিশ হাইকমিশন, কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।



