প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাতটি খেলা অন্তর্ভুক্ত করছে সরকার, চতুর্থ শ্রেণি থেকেই শুরু
সরকার প্রাথমিক শিক্ষায় ক্রীড়াচর্চা বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। চতুর্থ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য সাতটি ক্রীড়া ইভেন্ট জাতীয় শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এসব ইভেন্টের মধ্যে রয়েছে ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা, কারাতে, ভলিবল, ব্যাডমিন্টন, অ্যাথলেটিক্স ও সাঁতার। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইতোমধ্যে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডকে (এনসিটিবি) নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
সরকারি চিঠিতে প্রকাশিত তথ্য
বুধবার (২৫ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি মাধ্যমিক-১ শাখা থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো দুটি পৃথক চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সারা দেশের শহর ও গ্রামাঞ্চলে খেলার মাঠ নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় গঠিত কমিটির প্রথম সভা গত ১৪ মার্চ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত
ওই সভায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণি থেকে ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা, কারাতে বা ভলিবল, ব্যাডমিন্টন, অ্যাথলেটিক্স ও সাঁতার— সাতটি ক্রীড়া ইভেন্ট জাতীয় শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ প্রেক্ষাপটে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এই সাতটি ইভেন্ট শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এনসিটিবিকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে বলেও চিঠিতে জানানো হয়।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরকার প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্ব দিচ্ছে। ক্রীড়াচর্চা বাড়ানো হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দলগত কাজ, শৃঙ্খলা ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। এনসিটিবি এখন এই সাতটি খেলার জন্য প্রয়োজনীয় পাঠ্যসূচি ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা প্রণয়নে কাজ করবে।
সরকারের এই পদক্ষেপটি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় ক্রীড়ার গুরুত্ব বাড়াতে সাহায্য করবে। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের সম্ভাবনা রয়েছে, যা প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর জন্য একটি বড় পরিবর্তন আনবে।



