ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে শুরু হলো মিশ্র শিক্ষা কার্যক্রম
ভিকারুননিসা নূন স্কুলে মিশ্র শিক্ষা শুরু

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে মিশ্র শিক্ষা ব্যবস্থার সূচনা

রাজধানীর খ্যাতনামা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে মিশ্র শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া এই ব্লেন্ডেড শিক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে রোববার, ১২ এপ্রিল তারিখে প্রতিষ্ঠানটির কলেজ শাখার শিক্ষার্থীরা প্রথমবারের মতো অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণ করে।

কলেজ শাখায় শুরু, স্কুল শাখায় শীঘ্রই

প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাজেদা বেগম বিস্তারিত জানিয়েছেন যে, বৈশাখী উৎসব—বৈসাবি, চৈত্রসংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষের ছুটির কারণে স্কুল শাখায় আপাতত ক্লাস বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কলেজ শাখার অনলাইন ক্লাস কার্যক্রম সফলভাবে চালু হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত সন্তোষজনক বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। ছুটি শেষে আগামী বৃহস্পতিবার থেকে স্কুল শাখার শিক্ষার্থীদের জন্যও অনলাইন ক্লাস চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সরকারি নির্দেশনায় সময়সূচি

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজসহ রাজধানীর কিছু নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে তিন দিন সশরীর ক্লাস এবং তিন দিন অনলাইন ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এই ব্যবস্থার অধীনে:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • শনি, সোম ও বুধবার সরাসরি সশরীর ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে।
  • রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে পাঠদান চলবে।
  • শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি হিসেবে বিবেচিত হবে।

মিশ্র শিক্ষা পদ্ধতির উদ্দেশ্য

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট, নগরীর তীব্র যানজট এবং ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর লক্ষ্যেই পরীক্ষামূলকভাবে এই মিশ্র শিক্ষা পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সময়ের দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে

মিশ্র শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর এই পদক্ষেপটি বাংলাদেশের শিক্ষাখাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও প্রসারিত হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করেছেন।