শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বাড়াতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পুল গঠনের নির্দেশ
শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বাড়াতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পুল গঠন

শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বাড়াতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পুল গঠনের নির্দেশ

দেশের বিদ্যালয়গুলোতে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম জোরদার করতে অবসরপ্রাপ্ত ও শারীরিকভাবে সক্ষম শিক্ষকদের একটি তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই তালিকাভুক্ত শিক্ষকদের মধ্য থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগের জন্য সংশ্লিষ্ট ম্যানেজিং কমিটিকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বিস্তারিত নির্দেশনা

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বেসরকারি মাধ্যমিক-১ শাখার জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব শিরীন আক্তার স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক–স্বল্পতা এবং এনটিআরসিএ কর্তৃক শিক্ষক নিয়োগে বিলম্বের কারণে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে।

এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা এবং গুণগত ও মানসম্পন্ন শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে অভিজ্ঞ ও শারীরিকভাবে সক্ষম অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সমন্বয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পরামর্শ মোতাবেক সংশ্লিষ্ট ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডি/এডহক কমিটির অনুমোদনক্রমে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পুল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উপজেলাভিত্তিক পুল গঠনের প্রক্রিয়া

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, উপজেলাভিত্তিক উপজেলার অবসরপ্রাপ্ত ও শারীরিকভাবে সক্ষম শিক্ষকদের দিয়ে একটি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পুল গঠন করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সব জেলা প্রশাসককে অনুরোধ করা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সংশ্লিষ্ট উপজেলার ইউএনওর পরামর্শক্রমে সংশ্লিষ্ট ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডি/এডহক কমিটির অনুমোদনক্রমে প্রয়োজনের নিরিখে সাময়িকভাবে ওই পুল হতে শিক্ষক নিয়োগ করে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব তহবিলের অত্যাবশ্যকীয় খাত থেকে এ–সংক্রান্ত সম্মানী ব্যয় নির্বাহ করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদানের জন্য মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকাকে অনুরোধ করা হয়েছে।

এই পদক্ষেপের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আশা করছে, বিদ্যালয়গুলোতে শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের হার বৃদ্ধি পাবে এবং শিক্ষার্থীদের মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত হবে।