একযুগে বাংলা ট্রিবিউনের সাংবাদিকতার উৎকর্ষ ও আস্থার গল্প
একযুগে বাংলা ট্রিবিউনের সাংবাদিকতার উৎকর্ষ

দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউন একযুগ পূর্ণ করেছে। ২০১৪ সালের এই দিনে দেশের অনলাইন সাংবাদিকতায় নতুন দিগন্ত উন্মোচনের আশায় যাত্রা শুরু করেছিল গণমাধ্যমটি। একযুগ ধরে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাকে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি পাঠকের কাছে দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে সংবাদ পরিবেশন করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও সেই ধারা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।

উদযাপন ও শুভেচ্ছা

দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে বর্তমান ও সাবেক সহকর্মীদের নিয়ে কেক কেটে যুগপূর্তি উদযাপন করেছে বাংলা ট্রিবিউন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দিনভর প্রধান কার্যালয়ে আসেন বিজ্ঞাপনদাতা, শুভানুধ্যায়ী ও বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ফুল, কেক ও শুভেচ্ছায় সিক্ত হয় ট্রিবিউন কার্যালয়। বসুন্ধরা গ্রুপ, আবুল খায়ের গ্রুপসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা শুভেচ্ছা জানান। এছাড়া ইংরেজি দৈনিক ঢাকা ট্রিবিউনের সম্পাদক রিয়াজ আহমেদ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

সন্ধ্যার আয়োজন

সন্ধ্যায় কেক কেটে যুগপূর্তি উদযাপন করেন বাংলা ট্রিবিউনের কর্মীরা। অনলাইনে উদযাপনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন প্রকাশক ড. কাজী আনিস আহমেদ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেমকন গ্রুপের গ্রুপ চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার শাহীন খান, চিফ কনসালটেন্ট সায়মা মাজহার ও বাংলা ট্রিবিউনের নির্বাহী সম্পাদক উদিসা ইসলাম। বক্তারা বাংলা ট্রিবিউনের সাংবাদিকতা, দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশন ও ডিজিটাল গণমাধ্যম হিসেবে ভূমিকার প্রশংসা করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রকাশকের বক্তব্য

প্রকাশক ড. কাজী আনিস আহমেদ শুভেচ্ছা বক্তব্যে প্রতিষ্ঠার পর থেকে পথচলা, চ্যালেঞ্জ ও অর্জনের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, 'আজকের আয়োজন শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের ১২ বছরপূর্তি নয়, এটি একটি যাত্রার গল্প, সংগ্রাম, সাফল্য, আস্থা ও দায়িত্ববোধের গল্প। ১২ বছর সময়ের হিসাবে খুব দীর্ঘ না হলেও, এই সময়ের ভেতর আমরা কী অর্জন করেছি, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।' তিনি আরও বলেন, 'বাংলা ট্রিবিউন শুধু ১২ বছর পার করেনি, বরং একটি দৃঢ় অবস্থান ও বিশ্বাসযোগ্য পরিচিতি গড়ে তুলেছে। মানুষের আস্থা অর্জনই আমাদের সবচেয়ে বড় সাফল্য।'

সাংবাদিকদের ভূমিকা

কাজী আনিস আহমেদ সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, 'এই অবস্থানে পৌঁছানোর পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান আমাদের সাংবাদিকদের। তাদের নিরলস পরিশ্রম, দায়িত্ববোধ ও পেশাদারত্ব ছাড়া এই অর্জন সম্ভব হতো না। প্রতিকূলতা, চাপ, সীমাবদ্ধতার মধ্যেও তারা যেভাবে কাজ করে গেছেন, সেটি গর্বের।'

অন্যান্য বক্তব্য

শাহীন খান বলেন, 'সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বাংলা ট্রিবিউন মান নিয়ে কখনও আপস করেনি। বরং অনেক জায়গায় আরও ভালো কাজ হয়েছে। নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে এবং বাস্তবায়নও হচ্ছে। এটি ইতিবাচক অগ্রগতি।' ঢাকা ট্রিবিউনের সম্পাদক রিয়াজ আহমেদ বলেন, 'এখানে মানসম্পন্ন সাংবাদিকতার চর্চা হচ্ছে, যা আরও বৃহৎ পরিসরে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানো উচিত। সত্যনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা সমাজ পরিবর্তনের অন্যতম শক্তি।'

কেক কেটে উদযাপন

পরে কেক কেটে বাংলা ট্রিবিউনের ১২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। উৎসবমুখর পরিবেশে সহকর্মীরা একে অপরকে শুভেচ্ছা জানান এবং প্রতিষ্ঠানের আগামী দিনের সাফল্য কামনা করেন। প্রতিষ্ঠানটির একযুগপূর্তি উপলক্ষে বিভিন্ন গুণীজন, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সমাজের নানা পেশার মানুষ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।