মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের জরুরি নির্দেশ: ৬ষ্ঠ শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন কার্ড ডাউনলোড ও সংশোধন
মাদ্রাসা বোর্ডের জরুরি নির্দেশ: ৬ষ্ঠ শ্রেণির কার্ড ডাউনলোড

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের জরুরি নির্দেশ: ৬ষ্ঠ শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন কার্ড ডাউনলোড ও সংশোধন

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ২০২৫ সালে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন করা শিক্ষার্থীদের জন্য রেজিস্ট্রেশন কার্ড অনলাইনে ডাউনলোড, প্রিন্ট ও তথ্যভুল সংশোধনের জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার মাধ্যমে কার্ড সংগ্রহ ও প্রয়োজনীয় সংশোধন সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

কার্ড ডাউনলোডের পদ্ধতি

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসাগুলোকে বোর্ডের ই-এসআইএফ লিংকে (www.ebmeb.gov.bd) প্রবেশ করে ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে eReg–Registration Print–2025 নির্বাচন করে Continue বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে রেজিস্ট্রেশন কার্ড ডাউনলোড করা যাবে। অনলাইন থেকে কার্ড প্রিন্ট করে নির্ধারিত স্থানে প্রতিষ্ঠানপ্রধানের সিল ও সই দিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করতে বলা হয়েছে।

তথ্য সংশোধনের নির্দেশনা

রেজিস্ট্রেশন কার্ডে শিক্ষার্থীর নাম, জন্মতারিখ, ছবি, বাবা-মায়ের নাম ও জেন্ডারসহ যৌক্তিক সংশোধনের জন্য প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে নির্ধারিত নির্দেশনা অনুসরণ করে আবেদন করতে হবে। সংশোধনের জন্য বোর্ড ফি ৩০০ টাকা, যা আবেদন সাবমিটের পর পেমেন্ট অপশনে ক্লিক করে সোনালী ব্যাংকের পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।

সময়সীমা ও বিশেষ নির্দেশনা

বোর্ডের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আজ থেকেই রেজিস্ট্রেশন কার্ড ডাউনলোড করা যাবে এবং ২৫ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত তথ্য সংশোধনের আবেদন করা যাবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশোধনের আবেদন করতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী সময়ে নাম ও বয়স সংশোধন কমিটির মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

এছাড়া, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ তারিখের এক স্মারকের আলোকে যেসব শিক্ষার্থীর অনলাইন জন্মনিবন্ধন নম্বর এন্ট্রি করা হয়নি, তাদের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ইস্যু করা হয়নি। জন্মনিবন্ধন নম্বর এন্ট্রির পর তাদের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ইস্যু করা হবে এবং তখন কার্ড ডাউনলোড করে প্রিন্ট করা যাবে, এ ক্ষেত্রে কোনো বোর্ড ফি প্রযোজ্য হবে না।

রেজিস্ট্রেশন কার্ডে থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করে বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে কার্ড যাচাই ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ছাড়াই একাধিকবার প্রিন্ট করা যাবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এই পদক্ষেপ মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার ডিজিটাল রূপান্তর ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।