মেহেদী হত্যায় বিচার দাবিতে রামগঞ্জে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ
মেহেদী হত্যায় বিচার দাবিতে রামগঞ্জে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানকে হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রাখার ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার ও জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থী শোক র্যালি, বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করে।

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

সকাল থেকেই বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড হাতে রামগঞ্জ সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে জড়ো হতে থাকে। তাদের বহন করা ব্যানারগুলোতে লেখা ছিল— ‘মেহেদী হত্যার বিচার চাই’, ‘শিক্ষকের হাতে ছাত্র খুন কেন? জবাব চাই’, ‘খুনিদের ফাঁসি চাই’ ইত্যাদি।

পরে রামগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠ থেকে একটি বিশাল শোক র্যালি ও বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে রামগঞ্জ চৌরাস্তা মোড়ে এসে সমবেত হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা সড়কে অবস্থান নিলে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ আশ্রয়স্থল হওয়ার কথা থাকলেও শিক্ষক ও সিনিয়র শিক্ষার্থীদের নির্যাতনের শিকার হয়ে মেহেদী হাসানকে প্রাণ হারাতে হয়েছে। তারা এ ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করেছে।

সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন- আমরা আমাদের সহপাঠী মেহেদী হত্যার দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচার চাই। এ ঘটনায় জড়িত শিক্ষক ও সিনিয়র শিক্ষার্থীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো শিক্ষার্থী এ ধরনের নির্মম ঘটনার শিকার না হয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঘটনার প্রেক্ষাপট

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার উপজেলার ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, তাকে মারধরের ফলে মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় বিচার দাবিতে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।