জবির বেদখল হল উদ্ধারে ছাত্রদলের অবস্থান, ১০ দিনের আলটিমেটাম
জবির বেদখল হল উদ্ধারে ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বেদখল হল উদ্ধারে ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বেদখল হওয়া আবাসিক হলগুলো উদ্ধারের দাবিতে মঙ্গলবার মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। রাজধানীর আরমানিটোলায় অবস্থিত আবদুর রহমান হলের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে নেতা-কর্মীরা বেদখল হওয়া দুটি হল পরিদর্শন করেন এবং সেখানে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে ১০ দিনের মধ্যে সরে যাওয়ার আলটিমেটাম দেন।

মিছিল ও সমাবেশের বিবরণ

মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে শুরু হয়ে রায়সাহেব বাজার ঘুরে আরমানিটোলায় আবদুর রহমান হলের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ছাত্রদলের নেতারা বেদখল হলগুলোর বর্তমান অবস্থা তুলে ধরেন এবং দ্রুত উদ্ধারের দাবি জানান। সমাবেশে উপস্থিত সাধারণ শিক্ষার্থীরাও নিজেদের আবাসনসংকটের কথা উল্লেখ করেন।

নেতাদের বক্তব্য ও আলটিমেটাম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, '১০ দিনের মধ্যে এখানে বসবাসরত পরিবারগুলোকে সরে যেতে হবে। তারা আমাদের কাছে সাত দিনের সময় চেয়েছিল। মানবিক দিক বিবেচনা করে আমরা ১০ দিনের আলটিমেটাম দিয়েছি।' সংগঠনটির সদস্যসচিব শামসুল আরেফিন দৃঢ় কণ্ঠে জানান, যেকোনো অপশক্তিকে রুখে দেওয়া হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তি নিজেদের দখলে নেওয়া হবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া ও আবাসন সংকট

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাকিব খান অভিযোগ করেন, 'আমাদের হল নেই। অথচ ঢাকা শহরের আনাচকানাচে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ থেকে ৭টি হল দখল হয়ে আছে। প্রশাসনের সহায়তায় নিজেদের হল ফিরে পাওয়ার এখনই সময়।' দীর্ঘদিন ধরে হলগুলো বেদখল থাকায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা চরম আবাসনসংকটে ভুগছেন বলে নেতারা উল্লেখ করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও প্রতিক্রিয়া

ছাত্রদলের নেতারা জানান, শুধু আবদুর রহমান হল ও শহীদ নজরুল ইসলাম হল নয়, পর্যায়ক্রমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বেদখল হওয়া বাকি হলগুলোও উদ্ধার করা হবে। এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দীর্ঘদিনের আবাসনসংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি আসতে পারে। তবে এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।