চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই সহকারী প্রক্টর পদত্যাগের আবেদন করেছেন
চবির দুই সহকারী প্রক্টর পদত্যাগের আবেদন করেছেন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই সহকারী প্রক্টর পদত্যাগের আবেদন করেছেন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) দুই সহকারী প্রক্টর ব্যক্তিগত ও শারীরিক সমস্যার কারণে তাদের পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে পদত্যাগের আবেদন জমা দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. পারভীন আক্তার এবং মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক প্রফেসর মো. বজলুর রহমান রোববার (২৯ মার্চ) বিকাল সাড়ে তিনটায় পৃথক পদত্যাগপত্র জমা দেন।

পদত্যাগপত্র জমা ও কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া

রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন যে, তার কাছে দুই সহকারী প্রক্টরের পদত্যাগপত্র পৌঁছেছে। তিনি জানান, "আবেদনপত্রগুলো এখনো প্রক্রিয়াধীন আছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।" এই পদত্যাগপত্রগুলো রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে এবং কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বিবেচনা করছেন।

ড. পারভীন আকতারের পদত্যাগের কারণ

উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ড. পারভীন আক্তার দীর্ঘদিন ধরে সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তার পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সাম্প্রতিক সময়ে শারীরিক অসুস্থতা ও ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে তিনি দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারছেন না। তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজে কোনো বিঘ্ন না ঘটে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রফেসর মো. বজলুর রহমানের পদত্যাগের কারণ

অন্যদিকে, মার্কেটিং বিভাগের প্রফেসর মো. বজলুর রহমান গত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ থেকে সহকারী প্রক্টরের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি তার পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেছেন যে, বর্তমানে বিভাগীয় একাডেমিক কাজের চাপ বেড়ে যাওয়ায় দায়িত্ব পালন করা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। এজন্য তিনি আগামী ১ মার্চ থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন, যাতে তিনি বিভাগের একাডেমিক কার্যক্রমে মনোনিবেশ করতে পারেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শিক্ষকদের কৃতজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ

পদত্যাগপত্রে উভয় শিক্ষকই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন, তাদেরকে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়ার জন্য। এখন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুসারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এই পদত্যাগের ফলে সহকারী প্রক্টর পদে শূন্যতা দেখা দিতে পারে, যা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে নতুন নিয়োগ বা পুনর্বিন্যাসের দিকে নিয়ে যেতে পারে।