প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, আগামী মাসের দ্বিতীয়ার্ধে তপশিল ঘোষণা করে অক্টোবরের প্রথমার্ধে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আর নির্বাচন শুরু হওয়ার পর ১০ থেকে ১২ মাসের মধ্যে স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন সম্পন্ন হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য
গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের তথ্য তুলে ধরতে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ।
তথ্য-সম্প্রচার ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান আরো জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রাথমিক পথরেখা প্রণয়ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য পৃথক রোডম্যাপ করা হয়েছে। চলতি মাসের শেষের দিকে এগুলো চূড়ান্ত করে প্রকাশ করা যেতে পারে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন
আগামী ৫ আগস্টের আগেই জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করা হবে বলে জানান উপদেষ্টা।
নির্বাচনের ভৌগোলিক বিভাজন
নির্বাচন কমিশন বরাত দিয়ে উপদেষ্টা বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সারা দেশকে হাওর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল, পার্বত্য ও উপকূলীয় অঞ্চল, নদীপ্রধান ও চরাঞ্চল এবং সমতল ও শহরাঞ্চল—এই চার ভাগে ভাগ করে নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে হাওর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ইউনিয়ন পরিষদের ভোট গ্রহণের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন কার্যক্রম শুরু করবে ইসি।
নির্বাচন নিয়ে আলোচিত ইস্যু
জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘এটা একটা খুবই আলোচিত ইস্যু ছিল আমাদের সব সময়, সেটা হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আদৌ হবে কি না। কেউ কেউ এভাবে বলার চেষ্টা করতেন, যেহেতু ওখানে অনেক ক্ষেত্রেই প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। কিন্তু আমরা রিপিটেডলি বলেছি, আমাদের মন্ত্রী সব সময় বলেছেন যে, এটা এই বছরের মধ্যেই শুরু হবে; এবং আপনারা জানেন, নির্বাচন হওয়ার জন্য একটা বিশেষ সময় লাগে। আমরা চেষ্টা করি, বেশি সংখ্যক নির্বাচন শুষ্ক মৌসুমে করার, শীতের মৌসুমে করার।’



