নোয়াখালীতে ফিলিং স্টেশনে তেল শেষে উত্তেজনা: হামলা-ভাঙচুর ও দুই আটক
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় একটি ফিলিং স্টেশনে তেলের মজুত শেষ ঘোষণার পর হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার বিকাল ৫টার দিকে উপজেলার চর আমানউল্যাহ ইউনিয়নের কাটাবুনিয়া গ্রামে অবস্থিত নুরানি ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় হামলাকারীদের ওপর স্টেশনের কর্মচারীরাও পাল্টা হামলা চালান। পরে পুলিশ স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় দুই তরুণকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
ঘটনার বিবরণ
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের বরাতে জানা গেছে, সকাল সাড়ে ৯টা থেকে নুরানি ফিলিং স্টেশনে প্রত্যেক মোটরসাইকেলকে ৫০০ টাকার তেল সরবরাহ করা হচ্ছিল। বিকাল ৫টার দিকে স্টেশনের কর্মচারীরা তেলের মজুত শেষ হওয়ার কথা ঘোষণা করলে, লাইনে অপেক্ষমান কয়েকজন মোটরসাইকেলচালক ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন দৌড়ে গিয়ে স্টেশনের অফিস কক্ষে হামলা ও ভাঙচুর শুরু করেন। এতে ফিলিং স্টেশনের কাচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এ সময় স্টেশনের কর্মচারীরা মোটরসাইকেলচালকদের ওপর পাল্টা হামলা চালান। পরে স্টেশনে শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত পুলিশ স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় দুজন হামলাকারীকে আটক করে চরজব্বর থানায় নিয়ে যায়।
ব্যবস্থাপক ও পুলিশের বক্তব্য
নুরানি ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক মো. ফারুক হোসেন বলেন, ‘সকাল ৯টা থেকে সুশৃঙ্খলভাবে তেল সরবরাহ করেছি আমরা। বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তেল শেষ হয়ে গেলে আর দিতে পারিনি। তেল যখন শেষ হয়, তখনও লাইনে বেশ কিছু মোটরসাইকেল দাঁড়িয়ে ছিল। তেল শেষ হয়ে গেছে বলায় মোটরসাইকেলচালকরা অতর্কিতে হামলা চালান। তারা হামলা চালিয়ে ফিলিং স্টেশনের অফিস কক্ষ ভাঙচুর করেন।’
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, ‘তাৎক্ষণিক সেখানে উপস্থিত পুলিশ দুজনকে আটক করেছে। তাদের থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে এটি বড় কোনও হামলার ঘটনা নয়।’
এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় সাময়িক উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও পুলিশের দ্রুত হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এখন পর্যন্ত আটককৃত দুই তরুণের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।



