রংপুরে সড়ক পুনর্নির্মাণে গড়িমসির প্রতিবাদে মানববন্ধন
রংপুরে সড়ক পুনর্নির্মাণে গড়িমসির প্রতিবাদে মানববন্ধন

রংপুর নগরের জাহাজ কোম্পানি মোড় থেকে সাতমাথা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি পুনর্নির্মাণে সিটি করপোরেশনের গড়িমসির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন সংক্ষুব্ধ নাগরিকেরা। আজ শনিবার দুপুরে নগরের জাহাজ কোম্পানি মোড়ে এ মানববন্ধন ও সমাবেশের আয়োজন করে রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটি। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা মুখে কালো কাপড় বেঁধে সড়ক পুনর্নির্মাণে গড়িমসির প্রতীকী প্রতিবাদ জানান।

বক্তাদের বক্তব্য

রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটির সভাপতি পলাশ কান্তি নাগের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক পার্থ বোস, জাহাজ কোম্পানি শপিং কমপ্লেক্সের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রিপন ইসলাম, জি এল রায় রোড ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সেলিম চৌধুরী, রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটির সদস্য মাহফুজুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

সড়কের গুরুত্ব ও ভোগান্তি

বক্তারা বলেন, জাহাজ কোম্পানির মোড় থেকে সাতমাথা সড়ক দিয়ে কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, রংপুরের পীরগাছা ও গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন রংপুর নগরে প্রবেশ করেন। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অযোগ্য হয়ে আছে। প্রায় দুই বছর ধরে সিটি করপোরেশনকে একাধিকবার আলটিমেটাম দেওয়া হলেও কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি। বিভিন্ন সময়ে বাজেট অনুমোদনের কথা শোনা গেলেও বাস্তবে কাজের কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। এতে প্রতিদিনই ভোগান্তিতে পড়ছেন পথচারী, শিক্ষার্থী ও যানবাহনচালকেরা।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অভিযোগ ও হুঁশিয়ারি

পলাশ কান্তি নাগ অভিযোগ করেন, গত বছরের জুলাই থেকে এলাকাবাসী এ সড়কের বেহাল চিত্র তুলে ধরে গায়েবানা জানাজা, ধানের চারা রোপণ, লাল কার্ড প্রদর্শনসহ বিভিন্ন প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছেন। তবু সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় মানুষের ক্ষোভ দিন দিন বাড়ছে। বক্তারা বলেন, বর্ষা মৌসুম ঘনিয়ে আসায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা আছে। দ্রুত সড়কটির সংস্কারকাজ শুরু করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান তাঁরা। এ জন্য তাঁরা বর্তমান সিটি প্রশাসক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। মানববন্ধন থেকে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন বক্তারা।