পথশিশু গোলাপী বেগুমের জন্য নতুন বাড়ি নির্মাণ শুরু
শাহবাগের ফুটপাথে বসবাসকারী গোলাপী বেগুমের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার রতনপুর গ্রামে নতুন বাড়ি নির্মাণ শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের নির্দেশে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়।
কীভাবে শুরু হলো এই উদ্যোগ?
২০২৫ সালের জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের একটি সমাবেশে গোলাপী বেগুমের দুর্দশা প্রকাশ পায়। ২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ওই সমাবেশে তিনি শাহবাগের রাস্তায় চরম দুরবস্থায় বসবাস করতে দেখা গিয়েছিলেন। মানবিক বিবেচনায় তার বিষয়টি দলীয় নেতৃত্বের নজরে আনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যিনি আমরা বিএনপি পরিবার সংগঠনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক, তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমানকে গোলাপী বেগুমের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। নির্দেশনা অনুসরণ করে তার চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়। প্রায় আট মাস ধরে ঢাকায় থাকার ব্যবস্থা করে চিকিৎসা দেওয়া হয় তাকে।
স্থায়ী পুনর্বাসনের সিদ্ধান্ত
গোলাপী বেগুমের স্থায়ী পুনর্বাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তার জন্য একটি বাড়ি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার রতনপুর গ্রামে নতুন বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়েছে।
শুক্রবার বিকেলে আমরা বিএনপি পরিবার সংগঠনের উপদেষ্টা ও নরসিংদী-১ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন এবং সংগঠনের সদস্য সচিব মোকসেদুল মোমিন মিঠুনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।
এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন:
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান
- আমরা বিএনপি পরিবার সংগঠনের সদস্যরা
- বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ
নেতাদের বক্তব্য
স্থানীয় গণমাধ্যমের সাথে কথা বলতে গিয়ে নেতারা জানান, সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। তারা আরও যোগ করেন যে, তারেক রহমানের নির্দেশনায় ভবিষ্যতেও মানবিক সহায়তা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এই উদ্যোগটি সমাজের প্রান্তিক মানুষের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গোলাপী বেগুমের মতো অসহায় ব্যক্তিদের পুনর্বাসনে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে আরও উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।



