ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এলজিআরডি মন্ত্রীর বৈঠক, আলোচনায় জল সরবরাহ প্রকল্প
ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এলজিআরডি মন্ত্রীর বৈঠক

ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এলজিআরডি মন্ত্রীর বৈঠক, জল সরবরাহ প্রকল্পে জোর

ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জিন-মার্ক সেরে-চারলেট রবিবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকে উভয় পক্ষ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থের বিষয়গুলো তুলে ধরেন।

গন্ধর্বপুর জল শোধনাগার প্রকল্পের ওপর বিশেষ গুরুত্ব

আলোচনায় ফ্রান্সের উন্নয়ন সংস্থা এএফডি-সমর্থিত প্রধান উদ্যোগগুলোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়, যার মধ্যে গন্ধর্বপুর জল শোধনাগার প্রকল্প উল্লেখযোগ্য। এই বৃহৎ অবকাঠামো উদ্যোগটি আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহ-অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং ঢাকার জন্য একটি টেকসই ও পরিবেশবান্ধব জল সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে।

ঢাকায় ফ্রান্স দূতাবাস বৈঠক পরবর্তী বিবৃতিতে জানায়, সম্পূর্ণ চালু হওয়ার পর এই শোধনাগার লক্ষাধিক বাসিন্দাকে নিরাপদ পানীয় জল সরবরাহ করবে এবং ভূগর্ভস্থ জল সম্পদের ওপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সৈয়দাবাদ জল শোধনাগার তৃতীয় পর্যায় প্রকল্প নিয়ে আলোচনা

বৈঠকে সৈয়দাবাদ জল শোধনাগার তৃতীয় পর্যায় প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়, যা আরেকটি প্রধান উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত। এই প্রকল্পটি ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংক, ফ্রান্স, জার্মানি ও ডেনমার্কের সহ-অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং ঢাকাবাসীর জন্য জল শোধন ক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ফ্রান্সের স্থানীয় সরকার খাতে বড় উন্নয়ন অংশীদার

ফ্রান্স বর্তমানে বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার খাতে সর্ববৃহৎ দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে অবস্থান করছে, যেখানে চলমান ও পরিকল্পিত প্রকল্পগুলোর জন্য প্রায় ৬৯০ মিলিয়ন ইউরোর অঙ্গীকার রয়েছে। রাষ্ট্রদূত এজঁস ফ্রঁসেজ দ্য দেভেলপমঁ (এএফডি)-এর দীর্ঘমেয়াদী সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করেন, যা বাংলাদেশের এলজিআরডি খাত সমর্থনে একটি মূল অংশীদার হিসেবে কাজ করছে।

জলবায়ু অভিযোজন ও নগর উন্নয়নে সহযোগিতা বৃদ্ধির ইচ্ছা

রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে ফ্রান্সের চলমান সম্পৃক্ততার বিষয়ে ধারণা দেন এবং জলবায়ু অভিযোজন, নগর উন্নয়ন ও সরকারি সেবা প্রদানের মতো খাতগুলোতে সহযোগিতা গভীর করার প্রস্তুতির কথা জোর দিয়ে বলেন। তিনি মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় ফ্রান্সের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন, বিশেষ করে নগর অবকাঠামো, জল সরবরাহ ও টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে।

তিনি বর্ধিত সহযোগিতা, কারিগরি দক্ষতা ও বিনিয়োগের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এই বৈঠকটি দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান মৈত্রী ও উন্নয়ন সহযোগিতার ধারাবাহিকতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।