আরও ১৪ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ, মোট ৫৬ জেলায় এখন প্রশাসক
১৪ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ, মোট ৫৬ জেলায় প্রশাসক

আরও ১৪ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ, মোট ৫৬ জেলায় এখন প্রশাসক

সরকার দেশের আরও ১৪টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে। ঢাকা, নীলফামারী, লালমনিরহাট, পাবনা, নড়াইল, বরগুনা, জামালপুর, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, নরসিংদী, ফরিদপুর, হবিগঞ্জ, চাঁদপুর ও ফেনী জেলায় এই নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। এর আগে গত ১৫ মার্চ প্রথম দফায় ৪২টি জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছিল সরকার।

নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসকদের তালিকা

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. ইয়াছিন ফেরদৌস মোরাদ। এছাড়া নীলফামারীতে মিজানুর রহমান চৌধুরী, লালমনিরহাটে এ কে এম মমিনুল হক, পাবনায় মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম, নড়াইলে মোস্তাফিজুর রহমান আলেক, বরগুনায় নজরুল ইসলাম মোল্লা এবং জামালপুরে সিরাজুল হককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

অন্যান্য জেলাগুলোর মধ্যে গাজীপুরে চৌধুরী ইশরাত আহমদ সিদ্দিকী, মানিকগঞ্জে জামিলুর রশিদ খান, নরসিংদীতে তোফাজ্জল হোসেন, ফরিদপুরে আফজাল হোসেন খান পলাশ, হবিগঞ্জে আহমেদ আলী, চাঁদপুরে এ কে এম সলিম উল্যা সেলিম এবং ফেনী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে অধ্যাপক এম এ খালেক নিয়োগ পেয়েছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নিয়োগের আইনি ভিত্তি ও ক্ষমতা

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘জেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ এবং ‘জেলা পরিষদ আইন, ২০০০’ অনুযায়ী জনস্বার্থে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তারা জেলা পরিষদের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসকরা সংশ্লিষ্ট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের যাবতীয় ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন এবং বিধি মোতাবেক সম্মানি ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই নিয়োগের মাধ্যমে মোট ৫৬টি জেলা পরিষদে এখন প্রশাসক দায়িত্ব পালন করছেন। প্রথম দফায় ৪২টি জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, এবং দ্বিতীয় দফায় আরও ১৪টি জেলা যুক্ত হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের এই পদক্ষেপ জেলা পর্যায়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও সুসংহত করার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসকদের দায়িত্ব পালনের সময়সীমা পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। তারা জেলা পরিষদের সকল কার্যক্রম তদারকি করবেন এবং স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেবেন। এই নিয়োগ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা জেলা পর্যায়ের প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করবে বলে আশা করা যায়।