ঢাকার বাসিন্দারা নানা প্রয়োজনে দৈনন্দিন কেনাকাটা ও জরুরি কাজে মার্কেট ও দোকানপাটে যান। কিন্তু তীব্র যানজটের মধ্য দিয়ে গিয়ে যদি দেখা যায় দোকানগুলো বন্ধ, তাহলে পুরো পরিশ্রমই বিফলে যায়। তাই আগাম তথ্য জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। চলুন জেনে নেওয়া যাক, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সোমবার রাজধানী ঢাকার কোন কোন এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে এবং কোন সুপার মার্কেটগুলো অর্ধদিবসের জন্য বন্ধ থাকবে।
যেসব এলাকার মার্কেট সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে
সোমবার ঢাকার নিম্নলিখিত এলাকাগুলোতে মার্কেট ও দোকানপাট পুরোপুরি বন্ধ থাকবে বলে জানা গেছে। এই তালিকায় রাজধানীর বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- আগারগাঁও
- তালতলা
- শেরেবাংলানগর
- শেওড়াপাড়া
- কাজীপাড়া
- পল্লবী
- মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪
- ইব্রাহীমপুর
- কচুক্ষেত
- কাফরুল
- মহাখালী
- নিউ ডিওএইচএস ও ওল্ড ডিওএইচএস
- কাকলী
- তেজগাঁও ওল্ড এয়ারপোর্ট এরিয়া ও তেজগাঁও ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়া
- ক্যান্টনমেন্ট
- গুলশান-১ ও গুলশান-২
- বনানী
- মহাখালী কমার্শিয়াল এরিয়া
- নাখালপাড়া
- মহাখালী ইন্টারসিটি বাস টার্মিনাল এরিয়া
- রামপুরা
- বনশ্রী
- খিলগাঁও
- গোড়ান
- মালিবাগের একাংশ
- বাসাবো
- ধলপুর
- সায়েদাবাদ
- মাদারটেক
- মুগদা
- কমলাপুরের একাংশ
- যাত্রাবাড়ীর একাংশ
- শনির আখড়া
- দনিয়া
- রায়েরবাগ
- সানারপাড়
অর্ধদিবস বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
ঢাকার কিছু সুপার মার্কেট ও বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স সোমবার অর্ধদিবসের জন্য বন্ধ থাকবে। এই মার্কেটগুলো সাধারণত সকাল বা বিকেলের নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বন্ধ থাকতে পারে, তাই কেনাকাটার আগে সময় যাচাই করে নেওয়া উচিত।
- পল্লবী সুপার মার্কেট
- মিরপুর বেনারসি পল্লী
- ইব্রাহীমপুর বাজার
- ইউএই মৈত্রী কমপ্লেক্স
- বনানী সুপার মার্কেট
- ডিসিসি মার্কেট গুলশান-১ এবং গুলশান-২
- গুলশান পিংক সিটি
- মোল্লা টাওয়ার
- আল-আমিন সুপার মার্কেট
- রামপুরা সুপার মার্কেট
- মালিবাগ সুপার মার্কেট
- তালতলা সিটি করপোরেশন মার্কেট
- কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট
- গোরান বাজার
- আবেদিন টাওয়ার
- ঢাকা শপিং সেন্টার
- আয়েশা মোশারফ শপিং কমপ্লেক্স
- মিতালী অ্যান্ড ফ্রেন্ড সুপার মার্কেট
এই তালিকা থেকে স্পষ্ট যে, সোমবার ঢাকার ব্যাপক এলাকাজুড়ে মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ থাকবে। তাই নগরবাসীর উচিত তাদের কেনাকাটা ও জরুরি কাজের পরিকল্পনা আগে থেকে করে নেওয়া, যাতে অপ্রত্যাশিত বন্ধের কারণে কোনো অসুবিধার সম্মুখীন না হতে হয়। ঢাকার যানজট ও ব্যস্ত জীবনযাত্রার মধ্যে এই তথ্য নাগরিকদের জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা যায়।
