সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় পূর্ব শত্রুতাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দুইজনে দাঁড়িয়েছে। বুধবার (২৭ মে) দুপুরে উপজেলার ৪নং শাল্লা ইউনিয়নের ইছাকপুর গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই পায়েল মিয়া (২০) নামের এক যুবক নিহত হন। এ সময় আহত হন প্রায় ১০ জন।
আহত নারীর মৃত্যু
সংঘর্ষে গুরুতর আহত তাহেরা বেগম (৩৫) নামের এক নারীকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২৮ মে) তার মৃত্যু হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশের বক্তব্য
শাল্লা থানার ওসি মো. রোকিবুজ্জামান দুইজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তাহেরা বেগমের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
সংঘর্ষের বিবরণ
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ইছাকপুর গ্রামে একই গ্রামের সাইদুর রহমান এবং আওয়াল নুর গ্রুপের মধ্যে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ বাধে। এই সংঘর্ষে পায়েল মিয়া ঘটনাস্থলে মারা যান এবং আরও প্রায় ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে তাহেরা বেগমের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে সিলেট হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে তার মৃত্যু হয়।



