সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি নুরুল হক নুর ও জোনায়েদ সাকি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসাবে শপথ নেননি নুরুল হক নুর ও জোনায়েদ সাকি। মঙ্গলবার দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে নুরুল হক নুর, স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে মোট ৬ জন নির্বাচিত প্রার্থী সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন। তবে তারা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি।
বিএনপি জোটের শরিকদের শপথ গ্রহণ
বিএনপি জোটের শরিক গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এ জোটের আরেক শরিক গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এমপি হয়েছেন পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসন থেকে। বেলা পৌনে ২টায় সংসদ সদস্য হিসাবে শপথ নেন জোনায়েদ সাকি। তিনিও সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসিরউদ্দিন তাদের শপথবাক্য পাঠ করান। এর আগে জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে শপথ নেন এনসিপির মনোনয়নে নির্বাচিতরা। তারা পরে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসাবেও শপথ নেন। তারা যে জোট থেকে ভোটের মাঠে ছিলেন, সেই ১১ দলীয় জোটের জামায়াতসহ অন্যরাও দুটি শপথ পাঠ করেছেন।
শপথ অনুষ্ঠানের প্রেক্ষাপট
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন শপথ অনুষ্ঠানে এই ঘটনা উল্লেখযোগ্য হয়ে উঠেছে। নুরুল হক নুর ও জোনায়েদ সাকির শপথ না নেওয়ার বিষয়টি রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এটি সংবিধান সংস্কার প্রক্রিয়ায় তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।
এই শপথ অনুষ্ঠানটি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সহযোগিতা ও বিরোধের একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে সংবিধান সংস্কার পরিষদের কার্যক্রমে তাদের অংশগ্রহণ কেমন হবে, তা এখনই স্পষ্ট নয়। তবে, তাদের শপথ না নেওয়ার সিদ্ধান্তটি ত্রয়োদশ সংসদের প্রাথমিক দিনগুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে রেকর্ড হয়ে থাকবে।
