দিনাজপুরে দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, উদ্ধার কাজ চলছে
দিনাজপুরে দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত

দিনাজপুরে দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, উদ্ধার কাজ চলছে

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার সেতাবগঞ্জ রেলস্টেশনে দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) সকাল ৮টা ১৩ মিনিটে এই দুর্ঘটনা ঘটে, যা রেল যোগাযোগে সাময়িক ব্যাঘাত সৃষ্টি করেছে।

দুর্ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ

সেতাবগঞ্জ স্টেশন মাস্টার মজনুর রহমান জানান, পঞ্চগড় থেকে সান্তাহারগামী দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস ট্রেনটি স্টেশনের ১ নম্বর লাইনে প্রবেশের সময় ‘গ’ নম্বর বগির দুটি চাকা লাইনচ্যুত হয়। বর্তমানে উদ্ধার কাজ চলমান রয়েছে, এবং কর্তৃপক্ষ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, যাত্রীদের সেবার কথা বিবেচনায় রেখে লাইনচ্যুত বগিটি রেখে অন্যান্য বগি নিয়ে ট্রেনটি সান্তাহারে যাত্রা শুরু করবে। এই পদক্ষেপ যাত্রীদের অসুবিধা কমাতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অন্যান্য ট্রেনের চলাচলের অবস্থা

দিনাজপুর স্টেশন সুপার এবিএম জিয়াউর রহমান বলেন, ১ নম্বর লাইনে দুর্ঘটনা ঘটলেও ২ নম্বর লাইনে অন্যান্য ট্রেনের চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন যে, সকালেই পঞ্চগড় থেকে একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি সঠিক সময় অনুযায়ী ঠাকুরগাঁও, পীরগঞ্জ, সেতাবগঞ্জ ও দিনাজপুর স্টেশন অতিক্রম করে ঢাকা অভিমুখে রওনা দিয়েছে।

এই ঘটনা সত্ত্বেও, রেল কর্তৃপক্ষ অন্যান্য ট্রেনের সময়সূচী বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে, যা যাত্রীদের জন্য একটি ইতিবাচক সংবাদ। তবে, লাইনচ্যুত বগির উদ্ধার কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ১ নম্বর লাইনটি বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দুর্ঘটনার প্রভাব ও ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ

এই দুর্ঘটনা স্থানীয় রেল পরিষেবায় সাময়িক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে, কিন্তু কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। উদ্ধার কাজের পাশাপাশি, দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করা হচ্ছে যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা পুনরাবৃত্তি না হয়।

রেলওয়ে কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সুবিধা নিশ্চিত করতে সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, শীঘ্রই উদ্ধার কাজ সম্পন্ন হয়ে রেল পরিষেবা পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে।