মিয়ানমারে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা যুবক গুরুতর আহত, কক্সবাজারে চিকিৎসা
মিয়ানমারে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা যুবক আহত

মিয়ানমারে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা যুবক গুরুতর আহত, কক্সবাজারে চিকিৎসা চলছে

কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্ত সংলগ্ন মিয়ানমারের অভ্যন্তরে একটি ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে এক রোহিঙ্গা যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। বিস্ফোরণে তিনি বাম পায়ে মারাত্মক আঘাত পান বলে স্থানীয় সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে এবং আহত ব্যক্তিকে বর্তমানে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ ও অবস্থান

স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, উখিয়ার ৬৪ বিজিবির আওতাধীন পালংখালী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকা থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং বিআরএম-১৯ পয়েন্ট থেকে আনুমানিক ২ দশমিক ৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে মিয়ানমারের নাফ নদী সংলগ্ন চাকমাকাটা এলাকায় এ ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আরাকান আর্মি পুঁতে রাখা একটি ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরিত হলে শহীদুল্লাহ প্রকাশ শহীদ (২৫) নামে ওই রোহিঙ্গা যুবক গুরুতরভাবে আহত হন।

উদ্ধার ও চিকিৎসা প্রক্রিয়া

আহত ওই যুবককে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে উখিয়ার কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বিবেচনা করে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নেন। আহত শহীদ উখিয়ার ১৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এ-৫ ব্লকের বাসিন্দা মিয়া হাসানের ছেলে বলে পরিচয় পাওয়া গেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও প্রতিক্রিয়া

উখিয়া থানার ওসি মুজিবুর রহমান এ বিষয়ে বলেন, "এ ধরনের কোনো তথ্য আমার জানা নেই"। অন্যদিকে, উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন যে উখিয়ার সীমান্তে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে এক রোহিঙ্গা যুবক গুরুতর আহত হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, "কিছুদিন আগে মিয়ানমারের মাছ ধরতে গিয়েছিল সে" বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ ঘটনাটি সীমান্ত অঞ্চলের নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ভঙ্গুর পরিস্থিতির প্রতি আলোকপাত করেছে, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও মানবিক সংস্থাগুলো পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গেছে।