হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ঈদের নামাজ পর দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩০
নবীগঞ্জে ঈদের পর সংঘর্ষে আহত ৩০

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ঈদের জামাত পর সংঘর্ষে আহত ৩০

হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলায় ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ের পর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের প্রায় ৩০ জন লোক আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে এ ঘটনা সংঘটিত হয়।

সংঘর্ষের পটভূমি ও কারণ

স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি নোয়াগাঁও গ্রামের আব্দুর রবের কলেজছাত্রী মেয়ে ও ভাগনির ছবি এবং ভিডিও ফিরোজ মিয়া পক্ষের কয়েকজন যুবক ধারণ করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও বিরোধের সৃষ্টি হয়, যা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। ঈদুল ফিতরের দিন নামাজ শেষ হওয়ার পরপরই এই উত্তেজনা চরমে পৌঁছে এবং উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সরাসরি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

পুলিশের হস্তক্ষেপ ও আহতদের চিকিৎসা

সংঘর্ষের খবর পেয়ে গোপলার বাজার পুলিশ ফাঁড়ি থেকে একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে আহতদের উদ্ধার করে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন বলে জানা গেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের বক্তব্য ও আইনি পদক্ষেপ

নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোনায়েম মিয়া সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, 'বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে এবং আমরা নিয়মিত নজরদারি চালাচ্ছি।' তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ঘটনায় জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই ধরনের সংঘর্ষ গ্রামীণ সম্প্রীতির জন্য হুমকিস্বরূপ এবং তারা দ্রুত শান্তি ফিরে পাওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন। পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন এখনও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়, সে জন্য সচেতনতামূলক কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।