সদরঘাট লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিখোঁজ মিরাজ ফকিরের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজের ৪৯ ঘণ্টা পর
সদরঘাট লঞ্চ দুর্ঘটনায় মিরাজ ফকিরের মরদেহ উদ্ধার

সদরঘাট লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিখোঁজ মিরাজ ফকিরের মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর সদরঘাট এলাকায় দুই লঞ্চের সংঘর্ষের ঘটনায় নিখোঁজ হওয়া মিরাজ ফকির (৫২) অবশেষে নিখোঁজ হওয়ার ৪৯ ঘণ্টা পর মৃত অবস্থায় উদ্ধার হয়েছেন। নৌপুলিশের বরিশুর নৌপুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা শুক্রবার (২০ মার্চ) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে কেরানীগঞ্জের লবণের মিলের কাছে বুড়িগঙ্গা নদীর অংশ থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করে।

নৌপুলিশের বক্তব্য ও শনাক্তকরণ

নৌপুলিশের ঢাকা অঞ্চলের পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-মামুন ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে বলেন, “আজ সন্ধ্যায় কেরানীগঞ্জ এলাকার বুড়িগঙ্গা নদী থেকে মিরাজ ফকিরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজের প্রায় দুই দিন পর এই মরদেহ পাওয়া গেছে। পরে নিহতের স্বজনরা মিরাজ ফকিরের মরদেহ সঠিকভাবে শনাক্ত করেছেন। বর্তমানে মরদেহটি মিডফোর্ট হাসপাতালের মর্গে সংরক্ষিত রয়েছে।”

দুর্ঘটনার পটভূমি ও পূর্ববর্তী ঘটনা

এর আগে, গত ১৮ মার্চ সদরঘাটে দুই লঞ্চের সংঘর্ষের ঘটনায় সোহেল (২২) নামে এক যুবক প্রাণ হারান। একই দুর্ঘটনায় তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রুবা আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই ঘটনায় মিরাজ ফকিরও নিখোঁজ হন, যা এখন মৃত্যুতে রূপ নিয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

দুর্ঘটনার সময়ের বিবরণ

ঘটনার দিন বিকালে মিরাজ ফকির তার ছেলে ও পুত্রবধূকে নিয়ে একটি ট্রলারে করে মাঝ নদীতে অবস্থিত একটি লঞ্চে উঠতে যাচ্ছিলেন। এই সময় ঢাকা-ইলিশা রুটের ‘আসা যাওয়া-৫’ এবং ঢাকা-দেউলা-ঘোষেরহাট রুটের ‘এমভি জাকির সম্রাট-৩’ লঞ্চের মাঝখানে ট্রলারটি চাপা পড়ে যায়। লঞ্চ দুটির সংঘর্ষের ফলে ট্রলারটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং মিরাজ ফকির নিখোঁজ হন।

নৌপুলিশ ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে। এই দুর্ঘটনায় আহত ও নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ