ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২০ কিলোমিটার যানজট: যাত্রীদের ভোগান্তি ও নিরাপত্তা উদ্বেগ
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২০ কিলোমিটার যানজট, যাত্রীদের ভোগান্তি

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২০ কিলোমিটার যানজট: যাত্রীদের ভোগান্তি ও নিরাপত্তা উদ্বেগ

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের যমুনা সেতু থেকে রাবনা বাইপাস পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ধীরগতি ও যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ ২০২৬) সকালে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে এই পরিস্থিতির উদ্ভব হয়, যা চালক ও যাত্রীদের জন্য মারাত্মক ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

যানজটের কারণ ও প্রভাব

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মুহাম্মদ শরীফ জানান, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এবং মহাসড়কে যানবাহন বিকল হয়ে পড়ার কারণে রাত থেকে ভোর পর্যন্ত এই ধীরগতি বজায় ছিল। তিনি উল্লেখ করেন, "ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। যানজট যাতে না হয়, সেজন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।"

মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট, যেমন এলেঙ্গা বাস স্টেশন, রাবনা বাইপাস এবং আশেকপুর বাইপাসে ঘুরে দেখা গেছে, যাত্রীরা বাস ছাড়াও ট্রাক, পিকআপ এবং মাক্রোবাসে করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন। এছাড়াও, মহাসড়কে বাসের চেয়ে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের সংখ্যা বেশি লক্ষ্য করা গেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

যাত্রীদের বিকল্প পরিবহন পদ্ধতি

যানজটের কারণে যাত্রীরা বিকল্প পরিবহন মাধ্যম ব্যবহার করছেন, যা তাদের জন্য অতিরিক্ত খরচ ও নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করছে।

  • ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে।
  • দ্বিগুণ ভাড়ার কারণে অনেক যাত্রী খোলা ট্রাক ও পিকআপে করে যাচ্ছেন, যা তাদের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে।
  • এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে দীর্ঘ সময় লাগছে, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করছে।

পুলিশ কর্তৃপক্ষ দাবি করছে যে তারা চালক ও যাত্রীদের নিবিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। তবে, যানজটের এই দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব যাত্রীদের মধ্যে উদ্বেগ ও অস্বস্তি তৈরি করেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ