গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু, ১০ জন আহত
গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত ও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় উভয় পক্ষের অন্তত ছয়টি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে কমলাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার সূত্রপাত
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্বশত্রুতার জেরে আজ বেলা ১১টার দিকে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গেটে আনোয়ার মুন্সীর লোকজন নূর ইসলামকে মারধর করেন। পরে নূর ইসলামকে ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই ঘটনা জানাজানি হলে নূর ইসলামের লোকজন আনোয়ার মুন্সীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এরপর উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
নিহত ও আহতদের অবস্থা
সংঘর্ষে আনোয়ার মুন্সীর সমর্থক নিলু মুন্সী (৫০) নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁর স্ত্রী রুপা বেগম (৪০), ভাই মিলন মুন্সী (৫২) ও দুলাল মুন্সীকে (৪০) প্রথমে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক নিলু মুন্সীকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্য তিনজনের অবস্থার অবনতি হলে তাঁদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পাঠানো হয়।
স্থানীয়দের বক্তব্য
আনোয়ার মুন্সী বলেন, 'নূর ইসলামের লোকজন রামদা, রড, লাঠি নিয়ে আমার বাড়িতে এসে বাড়িঘরে হামলা করে। তারা আমার বাড়ির ছয়টি ঘর ভাঙচুর করে মালামাল লুটে নিয়ে যায়। আমার এক ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে নূর ইসলাম ও তার লোকজনের বিচার চাই।'
পুলিশের পদক্ষেপ
মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রউফ আল মামুন বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও র্যাব সদস্যরা অবস্থান করছেন। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মামলা হয়নি বলে জানানো হয়েছে।
