কুড়িগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের পুশ ইন চেষ্টা ব্যর্থ, বিজিবি-বাসিন্দাদের প্রতিরোধ
কুড়িগ্রামে বিএসএফের পুশ ইন চেষ্টা ব্যর্থ, বিজিবি ও বাসিন্দারা প্রতিরোধ

কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্ত দিয়ে কয়েকজনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর (পুশ ইন) চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক অবস্থানের কারণে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত শনিবার রাত ১০টার দিকে জামালপুর ব্যাটালিয়নের (৩৫ বিজিবি) অধীন রৌমারী সীমান্তের ঝাউবাড়ি ও খেয়ারচর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিএসএফের তৎপরতার তথ্য পাওয়া যায়। মেইন পিলার ১০৬৮ থেকে ১০৭১ নম্বর পর্যন্ত ভারতের ১৮৩ বিএসএফ সদরটিলা ক্যাম্পের সদস্যরা কয়েকজন বাংলাভাষী ভারতীয় নাগরিককে সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় নিয়ে আসেন।

সতর্ক অবস্থান ও প্রতিরোধ

সম্ভাব্য পুশ ইন ঠেকাতে তাৎক্ষণিকভাবে সীমান্ত এলাকায় টহল ও নজরদারি বাড়ায় বিজিবি। একই সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দারাও বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে সীমান্ত এলাকায় সতর্ক অবস্থান নেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা লাঠিসোঁটা ও লাইট হাতে নিয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দেন। খেয়ারচর এলাকার ইউপি সদস্য মো. নজরুল ইসলাম বলেন, গত শনিবার ও রোববার রাতে বিএসএফের সদস্যরা সীমান্তের আলোকসজ্জা বন্ধ করে কিছু মানুষকে বাংলাদেশের ভেতরে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করেন। তবে বিজিবি ও এলাকাবাসীর শক্ত অবস্থানের কারণে তাঁরা সফল হতে পারেননি।

বিজিবি ক্যাম্পের বক্তব্য

খেয়ারচর বিজিবি ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার বশির আহমেদ বলেন, শনি ও রোববার রাতের পাশাপাশি সোমবার সকালেও বিএসএফ কয়েকজন বাংলাভাষীকে খেয়ারচর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে। কিন্তু বিজিবি সদস্য ও স্থানীয় জনগণের প্রতিবাদের মুখে তারা সরে যেতে বাধ্য হয়। তিনি বলেন, বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক। তবে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং সীমান্তে নজরদারি অব্যাহত রাখা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ঘটনার পর থেকে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও সীমান্ত পাহারায় অংশ নিচ্ছেন। এলাকাবাসী বলছেন, বিএসএফের এই ধরনের তৎপরতা আগেও দেখা গেছে, কিন্তু এবার বিজিবি ও জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের কারণে তারা ব্যর্থ হয়েছে।