জাফলং সীমান্তে বিজিবি ও জনসাধারণের যৌথ টহল জোরদার
জাফলং সীমান্তে বিজিবি-জনসাধারণের যৌথ টহল

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ, পুশইন ও অন্যান্য সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে স্থানীয় জনসাধারণকে সঙ্গে নিয়ে যৌথ টহল জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৪৮ বিজিবি)।

যৌথ টহল কার্যক্রম

শনিবার দিবাগত গভীর রাতে ৪৮ বিজিবির সংগ্রাম ক্যাম্পের আওতাধীন সীমান্ত এলাকায় সরেজমিন দেখা যায়, বিজিবির টহল দলের সঙ্গে স্থানীয় যুবক ও প্রবীণ স্বেচ্ছাসেবকরাও অংশ নিচ্ছেন। টর্চলাইট ও লাঠি হাতে তারা বিজিবির সদস্যদের সঙ্গে সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে নজরদারি কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

স্থানীয়দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সীমান্ত নিরাপদ থাকলে এলাকার সার্বিক নিরাপত্তাও নিশ্চিত হয়। এ কারণে সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির উদ্যোগে তারা স্বেচ্ছায় অংশগ্রহণ করছেন। তাদের মতে, যৌথ টহল কার্যক্রমের ফলে সীমান্ত এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কমেছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ বেড়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিজিবি কর্মকর্তার বক্তব্য

সংগ্রাম ক্যাম্পের বিওপি কমান্ডার শহিদুল আলম বলেন, সীমান্ত রক্ষায় স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ফলে নজরদারি কার্যক্রম আরও কার্যকর হয়েছে। যৌথ টহলের কারণে অবৈধ সীমান্ত পারাপার ও অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধে ইতিবাচক ফল পাওয়া যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সীমান্তের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবির টহল ও নজরদারি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারে এ ধরনের যৌথ উদ্যোগ ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই যৌথ টহল কার্যক্রমের ফলে জাফলং সীমান্তে চোরাচালান ও অবৈধ অনুপ্রবেশ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, সীমান্ত নিরাপদ থাকায় তারা আরও স্বস্তি বোধ করছেন। বিজিবি ও জনগণের এই অংশীদারিত্ব সীমান্ত অঞ্চলের শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।