কক্সবাজারে স্ত্রী হত্যা: মরদেহ কাঁধে নিয়ে হাসপাতালে স্বামী
কক্সবাজারে স্ত্রী হত্যা: মরদেহ কাঁধে হাসপাতালে স্বামী

কক্সবাজারের উখিয়ায় ছুরিকাঘাতে স্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহ কাঁধে নিয়ে হাসপাতালে যান স্বামী। এ সময় জনতা স্বামীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। আজ বৃহস্পতিবার সকাল আটটার দিকে উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পাগলির বিল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নারীর নাম পারভীন আক্তার (২৮)। তিনি হলদিয়াপালং ইউনিয়নের পাতাবাড়ি এলাকার আবদুল গফুরের মেয়ে। কয়েক বছর আগে পারভীনের সঙ্গে পাগলির বিল এলাকার শামশুল আলমের ছেলে আবদুল আলমের বিয়ে হয়। পেশায় তিনি রাজমিস্ত্রি। পারিবারিক কলহের জেরে হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ ও এলাকাবাসী জানিয়েছেন। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ নিহত পারভীনের শাশুড়িকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

নিহত পারভীনের ছোট বোন ইয়াসমিন আক্তার বলেন, ‘আমার বোনের স্বামী গভীর রাতে বাসায় ফিরে ঘুমিয়ে পড়েন। সকাল সাতটার দিকে ঘুম থেকে উঠে খেতে বসেন। এ সময় স্বামী–স্ত্রীর মধ্যে কথা–কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বোনকে ছুরিকাঘাত করেন স্বামী।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্ত্রী পারভীন আক্তারকে আঘাত করার পর আবদুল আলম রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে কাঁধে তুলে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। ততক্ষণে পারভীন মারা যান। উপস্থিত লোকজন তখন আবদুল আলমকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ হাসপাতাল থেকে আলমকে থানায় নিয়ে যায়।

পারভীনের সংসারে তিন পুত্রসন্তান আছে জানিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিন বলেন, মূলত পারিবারিক কারণে স্বামী–স্ত্রীর মধ্যে কথা–কাটাকাটি হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রীকে ছুরিকাঘাত করেন স্বামী।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, পারভীন আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবদুল আলমের মাকে হেফাজতে আনা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ