ট্রাম্পের আশ্রয় প্রস্তাব: ইরানি নারী ফুটবল দলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ
ট্রাম্পের আশ্রয় প্রস্তাব: ইরানি নারী ফুটবল দল

ইরানি নারী ফুটবল দলের নিরাপত্তা নিয়ে ট্রাম্পের আশ্রয় প্রস্তাব

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের জাতীয় নারী ফুটবল দলকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন, তাদের নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করে। সম্প্রতি জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকৃতি জানানোর পর এই দলটি আলোচনায় আসে, এবং ট্রাম্প দাবি করেছেন যে তারা দেশে ফিরলে মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

জাতীয় সংগীত প্রতিবাদ ও নিরাপত্তা উদ্বেগ

গত ২ মার্চ দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে ইরানি নারী ফুটবল দল জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকৃতি জানায়, যা একটি বড় প্রতিবাদ হিসেবে দেখা দিয়েছে। যদিও পরবর্তী দুটি ম্যাচে তারা সংগীত গেয়েছেন, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এই প্রাথমিক অবাধ্যতাকে 'অসম্মানের চূড়ান্ত' বলে বর্ণনা করেছে। ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে লিখেছেন, 'ইরানে ফিরে গেলে সম্ভবত তাদের মেরে ফেলা হবে', এবং অস্ট্রেলিয়াকে দলটিকে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্তে মানবিক ভুল করার অভিযোগ করেছেন।

অস্ট্রেলিয়ার ভূমিকা ও ট্রাম্পের হস্তক্ষেপের হুমকি

অস্ট্রেলিয়া সরকারের কাছে ইরানি সম্প্রদায়ের সদস্যরা 'আমাদের মেয়েদের বাঁচাও!' বলে স্লোগান দিয়ে দলটিকে সুরক্ষা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, এবং ১৯৭৯ সালের পূর্ববর্তী সরকারি পতাকা প্রদর্শন করেছেন। ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন যে অস্ট্রেলিয়া যদি দলটিকে আশ্রয় না দেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র নিজেই হস্তক্ষেপ করবে। তিনি অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, 'মিস্টার প্রাইম মিনিস্টার, এমনটা করবেন না, তাদের আশ্রয় দিন। আপনারা না দিলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের গ্রহণ করবে।'

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আঞ্চলিক সংঘাত ও পটভূমি

এই ঘটনাটি ইরানে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ঘটছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্পের নেতৃত্বে ইরানে হামলা শুরু হয়, যার ফলে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা নিহত হন এবং পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে নারী ফুটবল দলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও তীব্র হয়েছে, এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।

সূত্র হিসেবে দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টের প্রতিবেদন উল্লেখ করা হয়েছে, যা এই ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার প্রসঙ্গও আলোচনায় এসেছে, যা আঞ্চলিক অস্থিরতা বাড়িয়ে দিয়েছে।