ঢাকায় বিএনপির সমাবেশ চলাকালে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ২ জন নিহত ও ৫০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে একজন বিএনপি কর্মী ও另一位 পথচারী বলে জানা গেছে।
সংঘর্ষের বিবরণ
বিএনপির এই সমাবেশে দলের সিনিয়র নেতারা বক্তব্য দিচ্ছিলেন। একপর্যায়ে পুলিশ সমাবেশে হস্তক্ষেপ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল ব্যবহার করে। বিএনপি কর্মীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষে পুলিশের ১০ জন সদস্য আহত হয়েছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য
প্রত্যক্ষদর্শী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, 'হঠাৎ পুলিশ এসে সমাবেশে হামলা চালায়। আমরা পালানোর চেষ্টা করি, কিন্তু বাধা পাই। অনেকেই আহত হয়েছেন।' বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দাবি করেন, 'পুলিশের নির্মম হামলায় আমাদের কর্মীরা নিহত হয়েছেন। আমরা এর প্রতিবাদ জানাই।'
পুলিশের বক্তব্য
ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন, 'বিএনপি অনুমতি ছাড়াই সমাবেশ করছিল। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি। সংঘর্ষে পুলিশও আহত হয়েছে।' তিনি আরও বলেন, 'নিহতদের সংখ্যা নিশ্চিত করছি। তদন্ত চলছে।'
প্রতিক্রিয়া
বিএনপির এই সমাবেশে দলের পক্ষ থেকে নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানানো হয়। তবে সংঘর্ষের পর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সরকারের সমালোচনা করে বিএনপি নেতারা বলেন, 'এটা গণতন্ত্রের হত্যা।' অন্যদিকে, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, 'বিএনপি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া উচিত নয়।'
আহতদের চিকিৎসা
আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও অন্যান্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহতদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা গুরুতর। চিকিৎসকরা তাদের চিকিৎসা দিচ্ছেন।
পরিস্থিতি বর্তমানে
সংঘর্ষের পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত। তবে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিএনপি আগামীকাল আরও সমাবেশের ডাক দিয়েছে।



