ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা জেলা পশ্চিমের সাবেক সভাপতি জিসান মিয়া প্রধানকে লাকসামে উদ্ধারের পর গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর তাকে লাকসাম থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশের বক্তব্য
পুলিশের দাবি, তিনি অপহরণ হননি, বরং নিজেই আত্মগোপনে ছিলেন। জিসানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও জোর করে ভ্রুণ নষ্ট করার অভিযোগে এক নারী দাউদকান্দি মডেল থানায় মামলা করেছেন। কুমিল্লার জেলা পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান নিশ্চিত করেছেন, জিসান প্রধান এই মামলার আসামি। বর্তমানে তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশি হেফাজতে চিকিৎসাধীন।
ছাত্রশিবিরের অবস্থান
ছাত্রশিবির জানিয়েছে, তারা ঘটনাটি সাজানো কি না, তা খতিয়ে দেখছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ ঘটনার সত্যতা যাচাই করে দেখা হবে।
মামলার বিবরণ
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, জিসান প্রধান এক নারীকে ধর্ষণ ও জোর করে গর্ভপাত করান। এ ঘটনায় ওই নারী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
এদিকে, জিসান প্রধানের পরিবারের দাবি, তিনি নিরীহ এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।



